Showing posts with label NEWS. Show all posts
Showing posts with label NEWS. Show all posts

Monday, September 7, 2015

Migrants defy Hungary police lines

10:33 AM, September 08, 2015
The migrants were moving along the motorway which was later closed by police. Photo: Reuters
BBC Online
Hundreds of migrants have broken through police lines on Hungary's border with Serbia and are walking towards the capital, Budapest.
The migrants had earlier broken out of a registration camp at Roszke.
About 300 are on a motorway, escorted by police. Some later reportedly agreed to be bussed to a reception centre.
Meanwhile, the Greek government and UN refugee agency brought in extra staff and ships to deal with some 25,000 migrants on the island of Lesbos.
The processing centre has been set up on an abandoned football ground to help the stranded migrants.
The hope is that the centre - which will operate for five days - will help people to buy tickets for specially chartered ships to get to Athens, the BBC's Jonny Dymond on Lesbos reports.
Local authorities have been overwhelmed by the migrants who have been forced to live in squalid conditions,
Athens has already requested emergency EU assistance to deal with migrants arriving from Turkey.
Earlier, German Chancellor Angela Merkel warned that the "breathtaking" flow of migrants into Germany would change the country in the coming years.
Hungary has become a flashpoint as thousands of migrants and refugees from the Middle East and Africa move north to claim asylum in Germany and other countries.
The country's defence minister, Csaba Hende, resigned on Monday, reportedly over problems with the construction of a border fence meant to keep migrants out.
The BBC's Gavin Lee speaks to Syrian refugees at Keleti station in Budapest: ''Mobile chargers... a vital party of their journey''
Hungary had previously blocked migrants heading north, insisting they be registered there first as required under EU rules. But it dropped restrictions on Friday after struggling to cope with thousands camping in Budapest.
About 20,000 migrants made their way from Hungary into Austria and Germany over the weekend.
At Roszke, scuffles erupted as some migrants who had broken out of a holding centre tried to force their way past police. Stones were thrown at officers, who responded with pepper spray.
About 300 managed to run to a nearby motorway, chanting "Germany, Germany". As darkness fell, they were walking, escorted by police, towards Budapest, 170km (105 miles) away.
While Hungary has allocated $73m (£47m) to spend on a 175km (110 mile) fence along the Serbian border, no resources were devoted to humanitarian infrastructure at the police assembly point in a cornfield near Roszke.
There are only four toilets, and police and aid workers struggled to feed and keep people warm as the temperatures plunged to 5C (41F).
A shortage of buses to take them to a new registration centre just 2km away, and a shortage of interpreters to explain what was going on, led to the breakout from the field and a new march up the M5 motorway towards Budapest on Monday evening.
An estimated 340,000 asylum seekers have arrived in Europe so far this year, most braving dangerous sea journeys from North Africa and Turkey.
Germany, where most migrants are headed and which expects 800,000 asylum requests this year, has said it wants other EU states to help shoulder the burden. But the crisis has divided the 28-nation bloc.
French President Francois Hollande said mandatory quotas were being drawn up to relocate 120,000 migrants across the EU, and that France would take 24,000.
Earlier, Merkel thanked volunteers who had welcomed those arriving over the weekend, saying they had "painted a picture of Germany which can make us proud of our country".
However, she said that although Germany was "a country willing to take people in", it was "time for the European Union to pull its weight".
Merkel is facing criticism at home over Germany's willingness to accept so many asylum seekers. The Bavarian Christian Social Union, a sister party to Merkel's Christian Democrats, accused her of sending a "wrong signal".
Hungary, along with the Czech Republic, Slovakia and Romania, has rejected the idea of official quotas. Prime Minister Viktor Orban said "as long as we can't defend Europe's outer borders, it is not worth talking about how many people we can take in".
The Hungarian parliament last week passed tough new legislation on illegal immigrants.
The BBC's Nick Thorpe in Hungary says Csaba Hende's surprise resignation has been seized on by opposition parties as proof that the government's tough anti-migrant policies have failed.
He oversaw army efforts to construct a razor-wire fence in just six weeks but it was rechristened a "wire barrier" in recognition of its limited success.
In addition to the razor-wire barrier, the army is also building a 4m-high (13ft) fence along the border that was supposed to have been finished last month but remains largely incomplete.
Meanwhile, the influx of migrants shows no signs of abating. More boatloads arrived in the Greek islands on Monday, adding to an already desperate situation in some areas.

http://www.thedailystar.net/world/migrants-defy-hungary-police-lines-139723

Sunday, January 18, 2015

গাজায় 'যুদ্ধাপরাধ' প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত আইসিসির

গাজায় ইসরায়েল যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (আইসিসি)। ফিলিস্তিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত শুক্রবার সংস্থাটি এ কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে আইসিসির এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
গত জুলাই ও আগস্টে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে দুই সহস্রাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়। এ অভিযানের পর ইসরায়েল যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে আইসিসিতে অভিযোগ আনে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ। এ জন্য চলতি মাসের শুরুতে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক এ আদালতে যোগ দেয়।
গত শুক্রবার আইসিসি জানায়, তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংস্থাটির প্রধান আইনজীবী ফাতোউ বেনসোউদা এক বিবৃতিতে জানান, এ তদন্ত হবে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ। তবে এটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত নয়। বেনসোউদা জানান, এখানে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ওপরই নির্ভর করবে, তিনি বৃহত্তর তদন্তে যাবেন কি না।
আইসিসির এ সিদ্ধান্তের তাৎক্ষণিক সমালোচনা করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ সিদ্ধান্তকে সীমা লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর যুক্তি, 'ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ কোনো রাষ্ট্র নয়। এ কারণে আইসিসি তাদের নিজেদের আইন মোতাবেকই সেখানে কোনো তদন্ত করতে পারে না।'
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভিগদোর লিবারম্যান বলেন, 'এ তদন্তের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারে আঘাত হানা।' আইসিসির এ সিদ্ধান্তকে তিনি 'সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' বলে মন্তব্য করেন। আইসিসির বিরুদ্ধে দ্বৈতনীতির অভিযোগ এনে তিনি বলেন, 'সিরিয়ার মতো অনেক জায়গায় গণহত্যা চলছে। কিন্তু সেখানে না গিয়ে আইসিসি আমাদের নীতিবান সেনাদের পেছনে লেগেছে।'
প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত আইসিসির
ইসরায়েলের মতো ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। শুক্রবার বিকেলেই এক বিবৃতিতে ওয়াশিংটন এ সিদ্ধান্তকে 'করুণ বিদ্রূপ' বলে মন্তব্য করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, 'জুলাইয়ের ওই ঘটনায় নিরীহ ইসরায়েলিদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা রকেট ছুড়েছে। অথচ ইসরায়েলের বিরুদ্ধেই এখন তদন্ত করা হবে।'
তবে ফিলিস্তিনের পাশাপাশি আইসিসির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে অনেক মানবাধিকার সংগঠন। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল-মালিকি বলেন, 'সব কিছুই ঠিকঠাক এগোচ্ছে। কোনো দেশই এখন আইসিসির এ তদন্তকে ঠেকাতে পারবে না।' অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'আইসিসির এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হাজার হাজার নিরীহ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।' তবে তদন্তে উভয় পক্ষের অপরাধকেই আমলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
প্রসঙ্গত, নেদারল্যান্ডসের হেগভিত্তিক এই আদালত বর্তমানে আফগানিস্তান, কলম্বিয়া, জর্জিয়া, গিনি, হন্ডুরাস, ইরাক ও ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের প্রাথমিক তদন্ত করছে। যে সংবিধির ওপর আইসিসি দাঁড়িয়ে, তাতে এ পর্যন্ত মোট ১২৩টি দেশ অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র নেই। সূত্র : এএফপি, দ্য হিন্দু।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/deshe-deshe/2015/01/18/176562#sthash.tldiV8Cn.dpuf

গাজায় ইসরায়েল যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (আইসিসি)। ফিলিস্তিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত শুক্রবার সংস্থাটি এ কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে আইসিসির এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
গত জুলাই ও আগস্টে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে দুই সহস্রাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়। এ অভিযানের পর ইসরায়েল যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে আইসিসিতে অভিযোগ আনে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ। এ জন্য চলতি মাসের শুরুতে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক এ আদালতে যোগ দেয়।
গত শুক্রবার আইসিসি জানায়, তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংস্থাটির প্রধান আইনজীবী ফাতোউ বেনসোউদা এক বিবৃতিতে জানান, এ তদন্ত হবে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ। তবে এটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত নয়। বেনসোউদা জানান, এখানে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ওপরই নির্ভর করবে, তিনি বৃহত্তর তদন্তে যাবেন কি না।
আইসিসির এ সিদ্ধান্তের তাৎক্ষণিক সমালোচনা করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ সিদ্ধান্তকে সীমা লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর যুক্তি, 'ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ কোনো রাষ্ট্র নয়। এ কারণে আইসিসি তাদের নিজেদের আইন মোতাবেকই সেখানে কোনো তদন্ত করতে পারে না।'
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভিগদোর লিবারম্যান বলেন, 'এ তদন্তের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারে আঘাত হানা।' আইসিসির এ সিদ্ধান্তকে তিনি 'সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' বলে মন্তব্য করেন। আইসিসির বিরুদ্ধে দ্বৈতনীতির অভিযোগ এনে তিনি বলেন, 'সিরিয়ার মতো অনেক জায়গায় গণহত্যা চলছে। কিন্তু সেখানে না গিয়ে আইসিসি আমাদের নীতিবান সেনাদের পেছনে লেগেছে।'
প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত আইসিসির
ইসরায়েলের মতো ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। শুক্রবার বিকেলেই এক বিবৃতিতে ওয়াশিংটন এ সিদ্ধান্তকে 'করুণ বিদ্রূপ' বলে মন্তব্য করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, 'জুলাইয়ের ওই ঘটনায় নিরীহ ইসরায়েলিদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা রকেট ছুড়েছে। অথচ ইসরায়েলের বিরুদ্ধেই এখন তদন্ত করা হবে।'
তবে ফিলিস্তিনের পাশাপাশি আইসিসির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে অনেক মানবাধিকার সংগঠন। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল-মালিকি বলেন, 'সব কিছুই ঠিকঠাক এগোচ্ছে। কোনো দেশই এখন আইসিসির এ তদন্তকে ঠেকাতে পারবে না।' অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'আইসিসির এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হাজার হাজার নিরীহ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।' তবে তদন্তে উভয় পক্ষের অপরাধকেই আমলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
প্রসঙ্গত, নেদারল্যান্ডসের হেগভিত্তিক এই আদালত বর্তমানে আফগানিস্তান, কলম্বিয়া, জর্জিয়া, গিনি, হন্ডুরাস, ইরাক ও ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের প্রাথমিক তদন্ত করছে। যে সংবিধির ওপর আইসিসি দাঁড়িয়ে, তাতে এ পর্যন্ত মোট ১২৩টি দেশ অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র নেই।  সূত্র : এএফপি, দ্য হিন্দু।
গাজায় ইসরায়েল যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (আইসিসি)। ফিলিস্তিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত শুক্রবার সংস্থাটি এ কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে আইসিসির এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
গত জুলাই ও আগস্টে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে দুই সহস্রাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়। এ অভিযানের পর ইসরায়েল যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে আইসিসিতে অভিযোগ আনে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ। এ জন্য চলতি মাসের শুরুতে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক এ আদালতে যোগ দেয়।
গত শুক্রবার আইসিসি জানায়, তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংস্থাটির প্রধান আইনজীবী ফাতোউ বেনসোউদা এক বিবৃতিতে জানান, এ তদন্ত হবে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ। তবে এটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত নয়। বেনসোউদা জানান, এখানে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ওপরই নির্ভর করবে, তিনি বৃহত্তর তদন্তে যাবেন কি না।
আইসিসির এ সিদ্ধান্তের তাৎক্ষণিক সমালোচনা করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ সিদ্ধান্তকে সীমা লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর যুক্তি, 'ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ কোনো রাষ্ট্র নয়। এ কারণে আইসিসি তাদের নিজেদের আইন মোতাবেকই সেখানে কোনো তদন্ত করতে পারে না।'
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভিগদোর লিবারম্যান বলেন, 'এ তদন্তের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারে আঘাত হানা।' আইসিসির এ সিদ্ধান্তকে তিনি 'সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' বলে মন্তব্য করেন। আইসিসির বিরুদ্ধে দ্বৈতনীতির অভিযোগ এনে তিনি বলেন, 'সিরিয়ার মতো অনেক জায়গায় গণহত্যা চলছে। কিন্তু সেখানে না গিয়ে আইসিসি আমাদের নীতিবান সেনাদের পেছনে লেগেছে।'
প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত আইসিসির
ইসরায়েলের মতো ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। শুক্রবার বিকেলেই এক বিবৃতিতে ওয়াশিংটন এ সিদ্ধান্তকে 'করুণ বিদ্রূপ' বলে মন্তব্য করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, 'জুলাইয়ের ওই ঘটনায় নিরীহ ইসরায়েলিদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা রকেট ছুড়েছে। অথচ ইসরায়েলের বিরুদ্ধেই এখন তদন্ত করা হবে।'
তবে ফিলিস্তিনের পাশাপাশি আইসিসির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে অনেক মানবাধিকার সংগঠন। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল-মালিকি বলেন, 'সব কিছুই ঠিকঠাক এগোচ্ছে। কোনো দেশই এখন আইসিসির এ তদন্তকে ঠেকাতে পারবে না।' অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'আইসিসির এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হাজার হাজার নিরীহ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।' তবে তদন্তে উভয় পক্ষের অপরাধকেই আমলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
প্রসঙ্গত, নেদারল্যান্ডসের হেগভিত্তিক এই আদালত বর্তমানে আফগানিস্তান, কলম্বিয়া, জর্জিয়া, গিনি, হন্ডুরাস, ইরাক ও ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের প্রাথমিক তদন্ত করছে। যে সংবিধির ওপর আইসিসি দাঁড়িয়ে, তাতে এ পর্যন্ত মোট ১২৩টি দেশ অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র নেই। সূত্র : এএফপি, দ্য হিন্দু।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/deshe-deshe/2015/01/18/176562#sthash.tldiV8Cn.dpuf
গাজায় ইসরায়েল যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (আইসিসি)। ফিলিস্তিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত শুক্রবার সংস্থাটি এ কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে আইসিসির এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
গত জুলাই ও আগস্টে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে দুই সহস্রাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়। এ অভিযানের পর ইসরায়েল যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে আইসিসিতে অভিযোগ আনে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ। এ জন্য চলতি মাসের শুরুতে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক এ আদালতে যোগ দেয়।
গত শুক্রবার আইসিসি জানায়, তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংস্থাটির প্রধান আইনজীবী ফাতোউ বেনসোউদা এক বিবৃতিতে জানান, এ তদন্ত হবে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ। তবে এটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত নয়। বেনসোউদা জানান, এখানে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ওপরই নির্ভর করবে, তিনি বৃহত্তর তদন্তে যাবেন কি না।
আইসিসির এ সিদ্ধান্তের তাৎক্ষণিক সমালোচনা করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ সিদ্ধান্তকে সীমা লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর যুক্তি, 'ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ কোনো রাষ্ট্র নয়। এ কারণে আইসিসি তাদের নিজেদের আইন মোতাবেকই সেখানে কোনো তদন্ত করতে পারে না।'
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভিগদোর লিবারম্যান বলেন, 'এ তদন্তের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারে আঘাত হানা।' আইসিসির এ সিদ্ধান্তকে তিনি 'সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' বলে মন্তব্য করেন। আইসিসির বিরুদ্ধে দ্বৈতনীতির অভিযোগ এনে তিনি বলেন, 'সিরিয়ার মতো অনেক জায়গায় গণহত্যা চলছে। কিন্তু সেখানে না গিয়ে আইসিসি আমাদের নীতিবান সেনাদের পেছনে লেগেছে।'
প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত আইসিসির
ইসরায়েলের মতো ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। শুক্রবার বিকেলেই এক বিবৃতিতে ওয়াশিংটন এ সিদ্ধান্তকে 'করুণ বিদ্রূপ' বলে মন্তব্য করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, 'জুলাইয়ের ওই ঘটনায় নিরীহ ইসরায়েলিদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা রকেট ছুড়েছে। অথচ ইসরায়েলের বিরুদ্ধেই এখন তদন্ত করা হবে।'
তবে ফিলিস্তিনের পাশাপাশি আইসিসির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে অনেক মানবাধিকার সংগঠন। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল-মালিকি বলেন, 'সব কিছুই ঠিকঠাক এগোচ্ছে। কোনো দেশই এখন আইসিসির এ তদন্তকে ঠেকাতে পারবে না।' অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'আইসিসির এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হাজার হাজার নিরীহ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।' তবে তদন্তে উভয় পক্ষের অপরাধকেই আমলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
প্রসঙ্গত, নেদারল্যান্ডসের হেগভিত্তিক এই আদালত বর্তমানে আফগানিস্তান, কলম্বিয়া, জর্জিয়া, গিনি, হন্ডুরাস, ইরাক ও ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের প্রাথমিক তদন্ত করছে। যে সংবিধির ওপর আইসিসি দাঁড়িয়ে, তাতে এ পর্যন্ত মোট ১২৩টি দেশ অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র নেই। সূত্র : এএফপি, দ্য হিন্দু।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/deshe-deshe/2015/01/18/176562#sthash.tldiV8Cn.dpuf
http://www.kalerkantho.com/print-edition/deshe-deshe/2015/01/18/176562
গাজায় 'যুদ্ধাপরাধ'
প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত আইসিসির
- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/deshe-deshe/2015/01/18/176562#sthash.tldiV8Cn.dpuf
গাজায় 'যুদ্ধাপরাধ'
প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত আইসিসির
- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/deshe-deshe/2015/01/18/176562#sthash.tldiV8Cn.dpuf
গাজায় 'যুদ্ধাপরাধ'
প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত আইসিসির
- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/deshe-deshe/2015/01/18/176562#sthash.tldiV8Cn.dpuf

Sunday, June 24, 2012

সাংবাদিকদের মানববন্ধনে এটিএন কর্মীদের হামলা

জ. ই. মামুনসহ ৯ জনকে ৬ সংগঠন থেকে বহিষ্কারযাযাদি রিপোর্ট 
এটিএন বাংলার সাংবাদিক-কর্মীরা হামলা চালায়।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকা-ের বিচারের দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধনে এটিএন বাংলার কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। পরে এ ঘটনায় জড়িত থাকায় এটিএন বাংলার ৯ সাংবাদিককে প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন থেকে বহিষ্কার করা হয়। সাগর-রুনি হত্যাকা-ের বিচার ও সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে রোববার পূর্বঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচি ছিল। মানববন্ধন শুরুর আগে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সাংবাদিক নেতারা এ ঘটনার জন্য বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলার কয়েকজন সাংবাদিককে দায়ী করেছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রতিবাদে এবং সাগর-রুনি হত্যাকা-ের বিচারের দাবিতে আজ আবারো মানববন্ধন কর্মসূচি দিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। জানা গেছে, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের নেতা জাহাঙ্গীর আলম প্রধান মানববন্ধন শুরুর আগে বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে গ্রেপ্তার এবং তার মালিকানাধীন দুটি চ্যানেলের সাংবাদিকদের মালিকের দোসর আখ্যা দিয়ে বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সেখানে উপস্থিত এটিএন বাংলার কয়েকজন সাংবাদিক তাকে লাঞ্ছিত করেন। সাংবাদিকরা জানান, জাহাঙ্গীর আলম প্রধানকে টেনেহিঁচড়ে ও কিলঘুষি মারতে মারতে তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের ভেতরে নিয়ে যায়। এ সময় অন্যান্য সাংবাদিক নেতারা তাকে রক্ষা করেন। তখন জাহাঙ্গীর আলম প্রধানের পক্ষে একদল সাংবাদিক লাঠি নিয়ে এটিএন বাংলার সাংবাদিকদের দিকে তেড়ে যান। এতে প্রেসক্লাবে তুমুল হট্টগোল বাধে। পরে সাংবাদিক নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এরপর প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে আবারো মানববন্ধন শুরু হয়। দুপুর ২টা পর্যন্ত পালিত হয় মানববন্ধন। সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, অর্থ ও ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে সাগর-রুনি হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়া যাবে না। যারা মানববন্ধন কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছেন, তারা খুনিদের পক্ষ অবলম্বন করেছেন। এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজে টক'শোর নামে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কথা হবে, আর তারা চুপ করে থাকবেন, তা হবে না। অবিলম্বে এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজে এ ধরনের টক'শো বন্ধের দাবি জানান তিনি। মানববন্ধন কর্মসূচিতে হামলা প্রসঙ্গে ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের সাংবাদিকদের বলব, আপনারা কার পক্ষ অবলম্বন করবেন- সাগর-রুনি? না আপনাদের চেয়ারম্যানের? এ সিদ্ধান্ত আপনাদেরই নিতে হবে। হত্যাকা-ের চার মাসেও তদন্তের কোনো সুরাহা না হওয়ার মধ্যে সমপ্রতি মাহফুজুর রহমান লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে বলেন, সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি পরকীয়ার বলি। তার এ মন্তব্যে সাংবাদিক মহলে নিন্দার ঝড় ওঠে। তাকে গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের দাবি তোলে সাংবাদিকদের সংগঠনগুলো। সাংবাদিকদের দাবির মুখে এটিএন বাংলা কার্যালয়ে গিয়ে একটি সিডি এবং কিছু ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে র‌্যাব। র‌্যাব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মানববন্ধনে ইকবাল সোবহান বলেন, 'এটিএন বাংলার চেয়ারম্যানকে জামাই আদরে কার্যালয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তার ফলাফল জাতিকে জানাতে হবে। তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ করা চলবে না।' ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের অপর অংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেন, মাহফুজুর রহমান একজন ভালো মানুষ- এই সনদপত্রের জন্য তিনি (মাহফুজুর রহমান) তথাকথিত শিল্পীদের দিয়ে তার টেলিভিশনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। অবস্থাটা এমন যে, ঠাকুর ঘরে কে রে- আমি কলা খাই না। আমাদের বক্তব্য পরিষ্কার। সাগর-রুনি হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করতে হবে। মাহফুজুর রহমান সাহেব আপনি পার পাবেন না। প্রয়োজনে এটিএন কার্যালয় ঘেরাও করা হবে। ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের মহাসচিব শওকত মাহমুদ বলেন, 'সাগর-রুনি হত্যা কেবল বাংলাদেশ নয়, সারাবিশ্বে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। এটিএনের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বলেছেন, তারা পরকীয়া প্রেমের বলি হয়েছেন। এখন যদি মামলার অভিযোগপত্রে পরকীয়া প্রেমের কথা বলা হয়, তাহলে সাংবাদিক সমাজ মেনে নেবে না।' ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাকের হোসাইন বলেন, 'তথাকথিত শিল্পীদের দিয়ে আমাদের (সাংবাদিক নেতাদের) বিরুদ্ধে মাহফুজুর রহমান তার টেলিভিশনে কথা বলিয়েছেন। প্রয়োজনে আমরা মানহানির মামলা করব।' অন্যদের মধ্যে ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব আবদুল জলিল ভূঁইয়া, সাবেক মহাসচিব আলতাফ মাহমুদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন দুই অংশের সভাপতি আবদুস শহীদ ও ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদ, মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা প্রধান শাহ আলমগীর, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা এবং বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিম আরা হক মিনু মানববন্ধনে বক্তব্য দেন। ৯ সাংবাদিককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের মানববন্ধনে হামলার ঘটনায় সাংবাদিকদের চারটি সংগঠন থেকে এটিএন বাংলার ৮ কর্মীসহ ৯ সাংবাদিককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী জানান, প্রেসক্লাবে চার সংগঠনের নেতারা আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত যারা প্রেসক্লাব, বিএফইউজে, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সদস্য তাদের চিহ্নিত করে নিজ নিজ সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই ৯ সাংবাদিক হলেন- এটিএন বাংলার হেড অব নিউজ জ ই মামুন, প্রধান বার্তা সম্পাদক ভানুরঞ্জন চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিনিধি শওকত মিল্টন, কেরামত উল্লাহ বিপ্লব, মানস ঘোষ, নাদিরা কিরণ, মাহামুদুর রহমান, জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এস এম বাবু এবং ভোরের কাগজের প্রতিবেদক শামীম আহমেদ। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা বলেন, ওই ৯ জনসহ যারাই হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল, ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের চিহ্নিত করে যার যার সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত, দাবি এটিএনের রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে অপ্রীতিকর ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন এটিএন বাংলার হেড অব নিউজ জ ই মামুন। সন্ধ্যায় রাজধানীর কারওরানবাজারে এটিএন বাংলার অফিসে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান বার্তা সম্পাদক ভানুরঞ্জন চক্রবর্তী ও বার্তা সম্পাদক শাহনাজ মুনি্ন। লিখিত বক্তব্যে জ ই মামুন বলেন, 'আমি মনে করি জাতীয় প্রেসক্লাবে ঘটে যাওয়া এ ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত। সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকা-ের ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতেই এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে- যা মোটেই কাম্য নয়।' সাংবাদিক নেতাদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, 'আপনারা ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখুন কারা আক্রমণকারী, তাদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিন।' তিনি বলেন, 'এটিএন বাংলার সাংবাদিকরা আপনাদের সহকর্মী, কোনোক্রমেই প্রতিপক্ষ নয়- তাই আপনারা এমন কোনো পদক্ষেপ নেবেন না, যাতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক, সংবাদকর্মী ও কলাকুশলীসহ সহস্রাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কিংবা আমাদের ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি করে কোনো সুবিধাবাদী মহল ফায়দা আদায় করতে পারে। সাগর-রুনি হত্যাকা-ের সুষ্ঠু বিচারের দাবি আদায়ের স্বার্থেও আমাদের মধ্যে কোনো ধরনের বিভেদ বা ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হওয়া উচিত নয় বলে আমরা মনে করি।' মানববন্ধনে মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়া ওই সাংবাদিকের ওপর এটিএনের সাংবাদিকদের প্রথমে এভাবে তেড়ে যাওয়া ঠিক হয়েছে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্ন এড়িয়ে যান জ ই মামুন। তিনি বলেন, 'আমাদের লোকজন শুধু ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করতে গিয়েছে যে, এটিএন বাংলা ঘেরাওয়ের কর্মসূচি সাংবাদিক নেতারা দিয়েছেন কি না।' শুরুতে ওই সাংবাদিককে এটিএনের কর্মীরা চারদিক থেকে ঘিরে ধরা ঠিক হয়েছে কি না- আবারো এমন প্রশ্নের জবাবে জ ই মামুন বলেন, 'এটি যেমন ঠিক হয়নি, তেমনি কাউকে 'খুনি' বলা কিংবা এটিএন বাংলা ঘেরাওয়ের আহ্বান জানানোও ঠিক হয়েছে কি?' সাংবাদিকদের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন রাখেন তিনি। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবিতে সাংবাদিক সংগঠনের কর্মসূচিতে একজন সাংবাদিক নেতার ওপর হামলার ঘটনার ভিডিও চিত্র পুরোটা দেখাননি জ ই মামুন। http://www.jjdin.com/index.php?view=details&feature=yes&type=single&pub_no=168&cat_id=3&menu_id=13&news_type_id=1&index=1

Wednesday, May 16, 2012

Journalists to march towards PMO on June 26

Journalists stage a sit-in programme in front of the Bangladesh Secretariat yesterday to press home demands including the arrest of the killers of journalist couple Sagar Sarowar and Meherun Runi. Bangladesh Federal Union of Journalists, Dhaka Union of Journalists, Jatiya Press Club, and Dhaka Reporters' Unity jointly organised the programme in the capital.Photo: STAR
Journalists will march towards the Prime Minister's Office (PMO) on June 26 to press home their demands including the arrest of killers of Sagar Sarwar and Meherun Runi.
Iqbal Sobhan Chowdhury, president of Bangladesh Federal Union of Journalists (BFUJ), made the announcement yesterday while wrapping up a sit-in programme in front of Bangladesh Secretariat.
Dhaka Union of Journalists (DUJ), Jatiya Press Club (JPC), BFUJ and Dhaka Reporters' Unity (DRU) jointly organised the programme.
Other demands include ensuring safety of journalists and providing a safe environment for performing their duties, stopping oppression on newsmen, investigation of earlier killings of journalists, freedom of mass media and a job for the wife of Bibhash Chandra Saha, a journalist who was killed in a road accident in the capital on May 11.
Leaders of different journalists' unions, editors and senior journalists of various print and electronic media organisations will march towards the PMO to submit a memo to Prime Minister Sheikh Hasina to realise their demands.
On February 11, Sagar, news editor of Maasranga TV, and his wife Runi, a senior reporter of ATN Bangla, were found murdered at their rented flat in West Rajabazar of the capital.
As part of the fresh agitation programme, on June 5, the journalists would hand over a memo to the Speaker urging introduction of a law for ensuring safety of journalists and freedom of mass media.
From May 20 to June 15 they would also carry out an awareness programme at the print and electronic media offices to strengthen their movement.
The BFUJ president warned of tougher movements including observing work absention in all media houses across the country if their demands were not met.
He also urged the print and electronic media to publish and air news items everyday on Sagar and Runi, highlighting the failure of the law enforcement agencies into the investigation of the killings.
Earlier, the journalists held their scheduled sit-in programme for around 90 minutes in front of the secretariat yesterday morning.
A section of journalists took position in front of Gate No-2 of the secretariat after defying police resistance at Paltan intersection around 11:30am, as the gate was promptly locked from inside to prevent the journalists from entering.
The remaining journalists were forced to hold their programme on the street running between JPC and the secretariat.
President of Federal Union of Journalists Ruhul Amin Gazi, BFUJ Secretary General Abdul Jalil Bhuiyan, DUJ President Abdus Shahid, DUJ General Secretary Mohammad Baker Hossain, JPC President Kamaluddin Sabuj, and DRU President Shakhawat Hossain Badsha spoke at the rally.
Newspapers published editorials on the unsolved murder case of the journalist couple while several electronic media houses aired special news on the issue yesterday.
Meanwhile on April 18, the High Court ordered to shift the case to the Rapid Action Battalion (Rab) after being frustrated over the failure of the Detective Branch in identifying the killer(s) of Sagar and Runi.
Rab is now investigating the case though it is yet to unearth the mystery behind the murder of the couple.

Police action on teachers, 10 hurt


Law enforcers near the Public Library in the capital use water cannons on primary school teachers demonstrating for a regularisation of their jobs.Photo: STAR
At least 10 non-government primary school teachers were injured yesterday when police charged batons on them during a demonstration at Shahbagh in the capital.
Three of the injured teachers were rushed to Dhaka Medical College Hospital.
The non-government schoolteachers were demonstrating for regularisation of their jobs.
Police also picked up four teachers from the spot.
Witnesses said around 5,000 agitated teachers were on their way to the Prime Minister's Office from the Central Shaheed Minar around noon to place a memorandum containing the one-point demand for regularisation of their jobs.
Police intercepted their procession and asked them to send a delegation to the PMO to submit the memorandum, Sirajul Islam, officer-in-charge of Shahbag Police Station, said.
But the teachers tried to move towards the PM's office. At one stage, police charged batons on them and used water canons to disperse them around 12:30am.
Teachers have been demonstrating under the banner of “National Non-Government (registered) Primary Teachers' Oikya Parishad”, a platform of four organisations of non-government primary teachers.
Later teachers held a rally and staged a sit-in in front of Shahbagh Police Station from 1:00pm for the release of their four detained colleagues. A portion of the teachers again tried to go to the Shahbagh intersection when police dispersed them.
The road from Shahbag intersection to TSC on Dhaka University was blocked from around 12:10pm halting vehicular movement. The blockade was removed around 6:00pm in the evening.
Talking to The Daily Star, Aminul Islam Chowdhury, chairman of the Oikya Parishad, said the prime minister pledged to regularise their jobs in the election manifesto and repeated that pledge before drafting the previous national budget. Yet the government is showing negligence.
He said that they would go for tougher movement if government does not allot money in the upcoming budget for regularising their jobs.
"If primary education system collapses due to the movement, government will have to take the responsibility," he added.
The teachers returned to the Shaheed Minar after those detained were released at around 6:30pm yesterday.
The teachers started their demonstration from Monday when they staged a sit-in at the Shaheed Minar to press home their demand.

Monday, May 14, 2012

সড়কে মৃত্যুর মিছিল



  • ধানমন্ডিতে সাংবাদিক বিভাষ সাহা নিহত হওয়ার পর পুলিশ বিক্ষুব্ধ লোকজনকে লাঠিপেটা করে ধানমন্ডিতে সাংবাদিক বিভাষ সাহা নিহত হওয়ার পর পুলিশ বিক্ষুব্ধ লোকজনকে লাঠিপেটা করে
    ছবি: প্রথম আলো
  • সিলেটের বালাগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে গতকাল ভোরে ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুমড়েমুচড়ে যাও সিলেটের বালাগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে গতকাল ভোরে ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুমড়েমুচড়ে যাওয়া গ্রিনলাইন পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি
    ছবি: প্রথম আলো
ভোরে সিলেটের বালাগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদসহ আটজনের মৃত্যু। এর আগে গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় পাঁচজন মারা গেছেন। দুপুরে ঢাকায় বাসচাপায় প্রাণ হারান বরিশালের এক আলোকচিত্র সাংবাদিক। পাঁচ ঘণ্টা পর আবারও বাসচাপা ঢাকায়। এবার প্রাণ হারালেন একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক।
গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনটা শুরু হয়েছিল সড়ক দুর্ঘটনার প্রাণহানি দিয়ে। দিন শেষে মৃত্যুর হিসাবটা হলো ১৫। এভাবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন হারিয়ে যায় বাংলাদেশের সম্ভাবনাগুলো। ঘটনার পর শোক প্রকাশ করে দায়িত্ব শেষ করেন রাজনীতিবিদ ও মন্ত্রীরা। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে কিংবা দায়ী গাড়িচালকের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।
গতকাল দুপুরে ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান বরিশালের মতবাদ পত্রিকার আলোকচিত্রী শহীদুজ্জামান। বিকেলে মারা যান ইংরেজি দৈনিক ইনডিপেন্ডেন্ট-এর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বিভাস চন্দ্র সাহা (৪৭)।
ঘটনাস্থল ধানমন্ডি: সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা। রাস্তায় তখন পড়ে রয়েছে চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া হেলমেটের ভাঙা প্লাস্টিক আর কালচে রক্ত। কিছুক্ষণ আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে উপুড় হয়ে পড়ে থাকা বিভাসের দেহটা। মোটরসাইকেলে ধানমন্ডির বেল টাওয়ারের অফিসে যাচ্ছিলেন বিভাস। পেছন থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে চাপা দিয়ে চলে যান ঘাতক বাসচালক। মোহাম্মদপুর-নারায়ণগঞ্জ পথে চলাচলকারী মৈত্রী পরিবহনের বাসটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছেন। পুলিশ সজল (২৮) নামের চালকের সহকারীকে আটক করেছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এ কে এম শাহেনুর বলেন, বিভাসের পেছনে তিনিও মোটরসাইকেলে ছিলেন। সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় পার হয়ে বাঁয়ে মোড় নিয়ে বিভাসের পেছন পেছন যাচ্ছিলেন। পপুলার হাসপাতালের সামনে মৈত্রী পরিবহনের বাসটি ডান দিক দিয়ে তাঁদের অতিক্রম (ওভারটেক) করে। কয়েক গজ যেতে না-যেতেই ঠিক স্টার কাবাবের সামনে বাসটি হঠাৎ বাঁয়ে চাপিয়ে বিভাসের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। জোর ধাক্কায় ‘বাবা রে’ চিৎকার করে ডান পাশে পড়ে যান বিভাস। মোটরসাইকেলটি দূরে ছিটকে পড়ে, তাঁর মাথাটি পড়ে পেছনের চাকার তলে। আশপাশের লোকজনও সবাই বাসচালককে থামার জন্য চিৎকার করে ওঠেন; কিন্তু চালক চাপা দিয়ে পালিয়ে যান।
ঘটনার আরেক প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ী মোক্তার হোসেন বলেন, ‘মোটরসাইকেলকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার পর চালক বাসটি না থামিয়ে আরও জোরে টানা শুরু করেন। মোটরসাইকেলে থাকা লোকটা পড়ে যাওয়ার সময়ই একটা চিৎকার করলেন। এরপর শুধু ঠাস করে একটা শব্দ শোনা গেল। আমি দৌড়ে গিয়ে দেখি, নিথর দেহ, রক্ত গড়াচ্ছে।’
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন বাসটি ভাঙচুর করেন এবং রাস্তা আটকে প্রতিবাদ করলে পুলিশ তাঁদের লাঠিপেটা করে। এ সময় পুলিশ কয়েকটি ফাঁকা গুলিও ছোড়ে। ধানমন্ডি থানার একজন কর্মকর্তা রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে উচ্চ স্বরে গালি দিয়ে চিৎকার করে বলছিলেন, ‘ডাইবাররে তো ধরতে পারলা না। এখন প্রতিবাদ করস হারামজাদা...। এইহানে আইলেই গুলি কইরা দিমু।’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোক্তারকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে পুলিশ। এ সময় সাংবাদিকেরা এসে তাঁকে ছাড়িয়ে নেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে পুলিশের বাগিবতণ্ডা হয়। স্থানীয় লোকজন বিভাসের দেহটি পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এরপর তাঁর দেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়। ঘটনার খবর পেয়ে স্বজন ও সহকর্মীরা ভিড় করেন হাসপাতালের মর্গে। কেউ কান্নায় ভেঙে পড়েন, কেউ বা ফেটে পড়েন ক্ষোভে।
স্বজনেরা জানান, বিভাসের সন্তান নেই; স্ত্রী তপতী রানী সাহা গুরুতর অসুস্থ। দু-এক দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির কথা। বিভাস ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। নব্বইয়ের দশকের মধ্যভাগে তিনি ইনডিপেন্ডেন্ট পত্রিকায় অপরাধবিষয়ক প্রতিবেদক হিসেবে যোগ দেন। মাঝে কিছুদিন ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ-এ কাজ করেন। আবার ফিরে যান ইনডিপেন্ডেন্টে। বিভাসের গ্রামের বাড়ি জামালপুরে, বাবার নাম ইন্দ্রভূষণ সাহা। ঢাকার উত্তর শাহজাহানপুর (শান্তিবাগ) এলাকায় তাঁর বাসা।
আলোকচিত্র সাংবাদিক শহীদুজ্জামান (৩৮) প্রকাশিতব্য দৈনিক মানবকণ্ঠ পত্রিকায় যোগ দিতে ঢাকায় এসেছিলেন। গতকাল দুপুরে পত্রিকাটির কার্যালয় থেকে ফেরার সময় রাজধানীর শেরাটন মোড়ে বাসচাপায় প্রাণ হারান তিনি। শহীদুজ্জামান বরিশালের মতবাদ নামের একটি দৈনিকে কাজ করতেন।
শহীদুজ্জামানের সঙ্গে রিকশায় ছিলেন তাঁর বন্ধু ঢাকার একটি দৈনিকের সহসম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, গত সপ্তাহে শহীদুজ্জামান মানবকণ্ঠ পত্রিকায় চাকরির জন্য আবেদন জমা দিয়েছিলেন। গতকাল গুলশান ১ নম্বরে পত্রিকার কার্যালয়ে চাকরির খোঁজ নিয়ে তাঁরা রিকশায় শাহবাগে ফিরছিলেন। বেলা একটার দিকে ইউনাইটেড পরিবহনের একটি বাস পেছন থেকে রিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। শহীদুজ্জামান রাস্তার ওপর এবং তিনি ফুটপাতের পাশে ছিটকে পড়েন। চালক বাসটি না থামিয়ে শহীদুজ্জামানের ওপর দিয়ে চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে শহীদুজ্জামানের মাথা চূর্ণ হয়ে যায়। তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। যাত্রীরা বাসটি থামিয়ে চালক নাইম হোসেনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
শহীদুজ্জামানের মামাশ্বশুর মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘শহীদুজ্জামান ৮ মে বরিশাল থেকে ঢাকায় আসে। চিকিৎসার জন্য তার স্ত্রী রুমা আক্তারও এসেছে। ওরা জিগাতলায় আমার বাসায় ওঠে।’ তাঁর একমাত্র সন্তানের নাম তাসিন (১০)।
রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম প্রথম আলোকে বলেন, চালক নাইমসহ বাসটি (ঢাকা মেট্রো জ ১১-১২৮৩) আটক করা হয়েছে। শহীদুজ্জামানের মামাশ্বশুর মাসুদ পারভেজ রমনা থানায় মামলা করেছেন। বাসটি মিরপুর থেকে সদরঘাট যাচ্ছিল।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শহীদুজ্জামানের লাশ স্বজনেরা বরিশালে নিয়ে গেছেন। তিনি বরিশাল শহরের কালীবাড়ি রোডের বাসিন্দা। তাঁর বাবা বদিউজ্জামান অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা।
এর আগে ৮ জানুয়ারি কাকরাইলে বাসের চাপায় প্রাণ হারান মোটরসাইকেল আরোহী সাংবাদিক দীনেশ দাস (৪৪)। তারও আগে গত ২৮ ডিসেম্বর বাসের চাকায় ডান পা হারান সাংবাদিক নিখিল ভদ্র।
সিলেটে প্রাণ হারালেন আ.লীগের নেতা: সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলায় গতকাল ভোরে ট্রাকের সঙ্গে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ভলবো বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইফতেখার হোসেন শামীম (৬২), ঢাকার ব্যবসায়ী, চিকিৎসকসহ আট যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতার স্ত্রী ও তাঁদের মেয়েসহ ২৭ জন। ইফতেখার স্ত্রী নাজনীন হোসেন (৪৫) ও মেয়ে শেহরীন হোসেনকে (১৮) নিয়ে সিলেটে ফিরছিলেন।
ইফতেখার সিলেট অঞ্চলের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও একজন মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে ছুটে গেছেন অর্থমন্ত্রী, দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। সিলেটের মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান এ সময় বলেন, ‘তাঁর মৃত্যুতে আমরা একজন অভিভাবক হারালাম।’
গাইবান্ধা: অভিমান করে গত বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে কীটনাশক পান করেন সদর উপজেলার খামার পীরগাছা গ্রামের গৃহবধূ নমিতা রানী। স্ত্রীকে বাঁচাতে রিকশা-ভ্যানে করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন শ্যামল। সঙ্গে ছিলেন ছোট ভাই চন্দন ও খালা কাঞ্চনবালা। গ্রামের রাস্তা পেরিয়ে ভ্যানটি গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কে ওঠে। ভোর চারটার দিকে জেলা শহরের পুলিশ সুপার কার্যালয়সংলগ্ন ৭ নম্বর খাদ্যগুদামের সামনে পৌঁছামাত্র একটি ট্রাক ভ্যানটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই শ্যামল, নমিতা, চন্দন ও কাঞ্চনবালার মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান ভ্যানচালক আশরাফ।


পাঠকের মন্তব্য

Akram zaman from Sweden
Akram zaman from Sweden
২০১২.০৫.১২ ০২:৩৭
এটাই সরকারের আসল চেহারা, আপন জনের মৃতের পর শোক প্রকাশে রাসথায় নামা কি অপরাধ ? এ সরকার আজ দেশের মানুষকে কি পেয়েছে ? সরকারের প্রথম কাজ হচ্ছে মানুষের স্বাবিক মৃত নিশ্চয়তা দেওয়া , সড়ক ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন করা , বিকল অকেজো যান-বহন লাইসেনস বাতিল করা। ট্রাফিক নিয়ম ও আইন জেয়ারদার করা ।

M. H Akash
M. H Akash
২০১২.০৫.১২ ০২:৩৯
সড়ক দুংঘটনায় প্রতিদিন ১৫-২০ জন প্রান হারাচ্ছে..। সরকার এই নিয়ে কোনো মাথা ব্যাথ্যা নাই.।আমরা শুধু প্রত্রিকায় দেখেই যাবো... এটাই আমাদের ভাগ্য.....................।

Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।
Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।
২০১২.০৫.১২ ০২:৫১
প্রতিটি মৃত্যু মর্মান্তিক । যখন এর হার বেড়ে যায় আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়, আমরা হই শঙ্কিত আর রাস্তা চলতে জীবনকে বাজিতে রাখি ।

Shamiul
Shamiul
২০১২.০৫.১২ ০৫:০০
Is there any government in Bangladesh?? If, what's their duty?? Are they blind ?? Useless !!

shofiqur rahman
shofiqur rahman
২০১২.০৫.১২ ০৫:১৬
প্রতি দিন সড়ক দূঘটনায় মানুষ মারা যাচ্ছেন । যখন রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এই ধরনের কেহ দুঘটনায় পড়ে মারা গেলে হইচই পড়ে যায় পত্রিকায় প্রথম পাতায় নিউজ বিরাট সম্পাদকীয় লিখা হয় । অতচ বিষয়টা সমাধান কিভাবে করা দরকার মনেহয় কেউ জানেন না । না সরকার না বুদ্বিজীবি গণ । অতচ আমরা সবাই একটু দায়িত্বশীল হয়ে এগিয়ে আসলে সড়ক দঘটনা ৯০ভাগ কমানো সম্ভব । আমাদের ড্রাইভাররা গাড়ি চালাতে জানেন কিন্তু গাড়ী চালাতে যে আরও নিয়মনীতি মেনে চলতে হয় তা তারা জানেন না এবং কেউ শেখানোর জন্য আগাইয়া আসেন না । সরকার যদি বয়স্ক শিক্ষাকেন্র চালু করে রাত্রে ৭- ৯টা পযন্ত প্রতি জেলা উপজেলায় কলেজ ও বিশ্ববিদ্যলয়ের ছাত্রদেরকে স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগদিয়ে ড্রাইভারদের সপ্তাহে ২দিন শিক্ষার আওতায় নিয়ে এসে নিয়মনীতিগূলা লেখাপড়ার মাধ্যমে শেখানো যায় । মধ্য মধ্য পুলিশ অফিসাররা ক্লাসে এসে ড্রাইভারদেরকে আইনের দিকগূলো সম্বন্দে সচেতন করেন তাহলে আমি বিশ্বাসকরি ৯০ ভাগ দূঘটনা কমে আসবে । ছাত্ররা ছাড়া অন্যন্য শিক্ষিতরা ও স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষক হিসেবে সপ্তাহে একদিন ২ঘন্টা সময় দিতে পারেন । আসুন আমরা সবাই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে আমাদের ড্রাইভারদেরকে শিক্ষার আওতায় নিয়ে এসে আমাদের ভাইবোন পিতামাতা বন্ধুবান্ধবদের দূঘটনার হাত থেকে রক্ষা করি সংগে সংগে নিজেও বাছি। সপ্তাহে কত ঘন্টা আমরা বাজে আড্ডায় নষ্ট করি ।

rubel raj
rubel raj
২০১২.০৫.১২ ০৫:৩৬
২০১২ তে এসেও আমরা এই লাশের মিছিল থেকে বের হতে পারছি না , কেন ?দোষ কেবল পরিবারের কর্তার আমাদেরও নেই কি ? আসুন সেই দোসটা বের করে দিয়ে সরকারকে বাধ্য করি কিছু একটা করতে ।

Riaj Raju
Riaj Raju
২০১২.০৫.১২ ০৫:৪৮
এই দেশে জন্ম নেয়াটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অপরাদ...।।

২০১২.০৫.১২ ০৬:৪৫
একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রী যখন আনাড়ী চালকদের পক্ষে জোরালো সাফাই গেয়ে বেড়ান তখন তো এরকম মিছিল বাড়তেই থাকবে , কি বলেন ?

Kulsum Al-Nazrul
Kulsum Al-Nazrul
২০১২.০৫.১২ ০৮:০০
সড়কে মৃত্যুর মিছিল দিন দিন বাড়ছে । রোধ করতে না পারলে অনেক সম্ভাবনাময় জীবনকে এভাবে অকালে হারাতে হবে ।

taj u ahmed
taj u ahmed
২০১২.০৫.১২ ০৯:০০
just stop it.

abdulla al masud
abdulla al masud
২০১২.০৫.১২ ০৯:২১
এই সব অদক্ষ অথর্ব ড্রাইভারদের অবশ্যই দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হতে হবে !! ড্রাইভারদের এই হিংস্রতাকে আর প্রশ্রয় দেয়ার কোন যুক্তি থাকতে পারে না ।

Md.Humayun Kabir
Md.Humayun Kabir
২০১২.০৫.১২ ০৯:৪০
it seems that the authority;is inactive .Then,who wil save us?

abdulla al masud
abdulla al masud
২০১২.০৫.১২ ০৯:৫০
ধানমন্ডি থানার একজন কর্মকর্তা রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে উচ্চ স্বরে গালি দিয়ে বলছিলেন - ‘ডাইবাররে তো ধরতে পারলা না, এখন প্রতিবাদ করস হারামজাদা... এইহানে আইলেই গুলি কইরা দিমু’,
পাবলিক ধরলে সরকার আপনাদের বেতন দিয়ে পুষছেন কি ঘোড়ার ঘাস কাটার জন্য !!!!

Mostafizur
Mostafizur
২০১২.০৫.১২ ১০:১৬
বাস মারে, আবার পুলিশও মারে !!!! কি অবস্থা ?????

Saleh Ahmed
Saleh Ahmed
২০১২.০৫.১২ ১২:০৯
সডকের বেহাল দশা, চালকদের উপয়ুক্ত শিখন, য়েখানে সেখানে পারকিং এ সামান্য কাজগগুলি কোন সরকারই তেমন করে নজরে নে্য় না । সরকার এবং বিরোধিদল ৪২ বছর ধরে নিরলজ্জ ভাবে শুধুই খমতার জন্য কামডা কামডি করে চলেচে

Tanvir Islam
Tanvir Islam
২০১২.০৫.১২ ১২:২৭
"আল্লাহর মাল আল্লাহ নিতাছে"
সরকার বসে বসে বাদাম চিবাইতাস,
আর আমরা হালাল হইতাসি,
এর থেকে সৌভাগ্যবান বাঙালি আর কে হতে পারে...

jakir hussain
jakir hussain
২০১২.০৫.১২ ১৪:৪৯
কেবল সড়কে নয়, পুরো দেশ জুড়ে যেনো চলছে মৃত্যুর মিছিল !

২০১২.০৫.১২ ১৪:৫৫
রাস্তায় লাশ, নদিতে লাশ, বেড রুমে লাশ, বাইরে লাশ, খালে লাশ, বিল জলাসয়ে লাশ, সেফটি ট্যাংকে লাশ , সীমান্তে লাশ ! লাশ আর লাশ !

Sumon Kumar nath
Sumon Kumar nath
২০১২.০৫.১২ ১৫:৫৭
আজব দেশ .....বিচিতর আমরা .........,মরন কত সহজ ,আর শসতা !!!

Golam Masud
Golam Masud
২০১২.০৫.১২ ১৬:৩৫
আমি বাস ড্রাইভারদের পক্ষে বলছি না । কিন্তু, মটরবাইক চালকগন যেভাবে ride করেন তাও আইন সিদ্ধ নয় । ফুটপাতের উপর দিয়ে, দোকানগুলো ঘেষে যেভাবে চালায়; তা তাদের জন্য যেমন অন্যদের জন্যও তেমনই বিপদ্জনক বটে !

Jhuman Modak
Jhuman Modak
২০১২.০৫.১২ ১৭:২০
আমাদের ড্রাইভাররা গাড়ি চালাতে জানেন কিন্তু গাড়ী চালাতে যে আরও নিয়মনীতি মেনে চলতে হয় তা তারা জানেন না এবং কেউ শেখানোর জন্য আগাইয়া আসেন না ।

Shakhawat Hossain
Shakhawat Hossain
২০১২.০৫.১২ ১৭:২৬
দেশের মানুষ এত বেশি হয়ে গেছে, কিছুতেই কমানো যাচছেনা। তাই এই সরকার জনসংখা নিয়ন্তরনের এই ডিজিটাল উদ্যোগ নিয়েছে। ভিসন ২০২১ সফল করতে হবেনা ?

Adul Fazal
Adul Fazal
২০১২.০৫.১২ ১৭:৪৪
আর কত লাস চায়ে বাংলাদেশ সরক ও নদি পথ মালিক সমিতি ..। ?..।

২০১২.০৫.১২ ২০:১৯
১ জন মানুসের জিবনের দাম কি tk১০০০০?driver গুলো কে ফাসি দিলে তারা দেখে দেখে গারি চালাবে।

khaled sumon
khaled sumon
২০১২.০৫.১২ ২১:২১
প্রতিটি মৃত্যু মর্মান্তিক ।

Dr. Sazzad bollam
Dr. Sazzad bollam
২০১২.০৫.১২ ২২:০৫
এ সড়ক দূর্ঘটনার ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশ চলবে......................

Dr. Sazzad bollam
Dr. Sazzad bollam
২০১২.০৫.১২ ২২:১৪
ইচ্ছেকৃত কোন ড্রাইভার দূর্ঘটনা ঘটায় না এটা যেমন সত্য আবার অনেক ড্রাইভারের অবহেলার কারণে বা নেশা করে গাড়ি চালানোর কারণে মারাত্তক দূর্ঘটনা ঘটে যায়,অবহেলার কারণে বা নেশা করে গাড়ি চালানোর কারণে দূর্ঘটনা ঘটালে সে চালকের সর্বনিম্ন শাস্তি মৃত্যুদন্ড দাবী করছি।

মার্কিন সামরিক স্কুলের পাঠ্যসূচিতে ইসলামের বিরুদ্ধে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’, এমনকি মুসলমানদের জন্য অতি পবিত্র দুটি স্থান মক্কা ও মদিনায় সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলারও পক্ষপাতী।

 এমনকি মুসলমানদের জন্য অতি পবিত্র দুটি স্থান মক্কা ও মদিনায় সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলারও পক্ষপাতী

যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক স্কুলে ইসলাম সম্পর্কে যা শেখানো হচ্ছে, তা ‘সম্পূর্ণ আপত্তিকর’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির একজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা। সামরিক স্কুলে পড়ানো ইসলামবিষয়ক ওই পাঠ্যসূচিকে (কোর্স) মুসলমানদের শত্রু হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্টিন ডেম্পসি সামরিক স্কুলে ওই কোর্সটি পড়ানোর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পাশাপাশি অন্য সামরিক স্কুলে ইসলাম সম্পর্কে কী শিক্ষা দেওয়া হয়, তা-ও খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন।
ভার্জিনিয়ার নরফোকের জয়েন্ট ফোর্সেস স্টাফ কলেজে ইসলামবিষয়ক ঐচ্ছিক ওই পাঠ্যসূচি এক বছর ধরে পড়ানো হচ্ছে। গত মাসে ওই পাঠে অংশগ্রহণকারী একজন সামরিক কর্মকর্তা প্রথমবারের মতো এ নিয়ে অভিযোগ করেন। এর পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পাঠ্যসূচিটি কীভাবে অনুমোদন পেল এবং কী কারণে এটি পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত হলো, এখন এর তদন্ত চলছে।
জেনারেল ডেম্পসি ওই পাঠ্যসূচি ব্যাখ্যা করে বলেছেন, ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সাংস্কৃতিক সচেতনতার যে বিষয়টি মার্কিন সমাজ মর্যাদা দিয়ে আসছে, এটি সেই মূল্যবোধের পরিপন্থী এবং এটি আপত্তিকর, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বজ্ঞানহীন।’
ইসলামবিষয়ক ওই পাঠ্যসূচি সারা বিশ্বের মুসলমানদের বিরুদ্ধে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধের’ বিষয়টি সমর্থন করে। এমনকি মুসলমানদের জন্য অতি পবিত্র দুটি স্থান মক্কা ও মদিনায় সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলারও পক্ষপাতী। এ ছাড়া পাঠ্যসূচিতে এমনভাবে ইসলামকে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে মার্কিন সেনা কর্মকর্তারা ভাবতে বাধ্য হবেন, ইসলাম সরাসরি তাঁদের শত্রু।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন স্বীকার করেছে, পাঠ্যসূচিতে ‘কিছু অস্বাভাবিক’ বিষয় রয়েছে। বিবিসি।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-05-12/news/256988


পাঠকের মন্তব্য
MAMUN AHMED
MAMUN AHMED
২০১২.০৫.১২ ০৬:০২
অবাক হওয়ার মতো নয়, স্বাভাবিক খবর এটা । পৃথিবী থেকে ''শান্তি''
নামের জিনিষ টা ধীরে ধীরে উধাও হয়ে যাচ্ছে ।

Md. Rabiul Islam
Md. Rabiul Islam
২০১২.০৫.১২ ০৮:৪০
All credits go to Saudi Arabia and its King and the people of the country who support such a country that teaches to destroy two shrine places located in its heart.

Akashchowdhury
Akashchowdhury
২০১২.০৫.১২ ০৯:৪৭
এই একই কাজ যদি কোন মুসলিম দেশ করতো তাহলে তাকে আখ্যা দেয়া হতো চরম সন্ত্রাসী এবং জংগী। অথচ তারা তাদের দেশে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে শিক্ষা দিচ্ছে ইসলাম এবং মুসলিম হচ্ছে তাদের সরাসরি শত্রু। একজন মুসলমান যদি কোন একজনকে হত্যা করে তাহলে সে হয় জংগী, ইসলামী সন্ত্রাসবাদী আর খ্রীষ্টানরা করলে হয় সেটা অপরাধ। সন্ত্রাসবাদের সংগাই তারা পাল্টে দিয়েছে লাদেন নামের এক চরকে দিয়ে।

firoz ahmed
firoz ahmed
২০১২.০৫.১২ ১০:৪৩
And they say "Muslims" are less tolerant...

Md Alauddin
Md Alauddin
২০১২.০৫.১২ ১২:০৫
This is the time to think, what they think about Islam...............

shahan
shahan
২০১২.০৫.১২ ১৩:৫৬
bangladeshi amiricar dalalra akon kutai, jara usama bin laden ke galagali koren.deken amiricate tader patto pustoke islamer birudde juddo gushona kortese.

Muzahidul Islam Mazumder
Muzahidul Islam Mazumder
২০১২.০৫.১২ ১৪:০৪
Muslim beaware.

ইঞ্জিনিয়ার মশিউর রহমান
ইঞ্জিনিয়ার মশিউর রহমান
২০১২.০৫.১২ ২১:০৬
এই দিন দিন নয় আরো দিন আছে। এই দিনেরে নিবে মুসলিম সেই দিনের (ইসলামের স্বর্ণ-যুগ) কাছে।

Sufian Khan Farhan
Sufian Khan Farhan
২০১২.০৫.১২ ২২:৩৮
জানি এ নিয়ে কোন আলোচনা হবে না, হবে না প্রতিবাদ, হবে না লেখালেখি, আসবে না ফেসবুক জুড়ে স্ট্যাটাস, আসবে না কোন ব্লগের মূল পোষ্টেও....আজকের পরে এই সংবাদ হারিয়ে যাবে.।
কোন কিছুতেই আসার দরকার নেই, কথা বলারও দরকার নেই।

Tuesday, May 8, 2012

শক্তিশালী দুই রাষ্ট্রের প্রভাবশালী নেতারা এ দেশ থেকে নিতেই এসেছিলেন কিছু দিতে আসেননি!


হুবহু : ড. তুহিন মালিক ঢাবির সাবেক ছাত্রনেতা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজ্ঞ
শক্তিশালী দুই রাষ্ট্রের প্রভাবশালী নেতারা এ দেশ থেকে নিতেই এসেছিলেন কিছু দিতে আসেননি!

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ও ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় একই সময়ে ঢাকা সফরে এসেছিলেন। এটিকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
শক্তিশালী দুই রাষ্ট্রের প্রভাবশালী নেতারা এ দেশ থেকে নিতেই এসেছিলেন, কিছু দিতে আসেননি। সরকারের শেষ সময়ে তাঁরা যদি না নেয় তাহলে আর কোনো সুযোগ নেই। একজন চাইবেন টিফা চুক্তি কিংবা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা কিংবা সামরিক সহযোগিতা। আরেকজন চাইবেন ট্রানজিট বা ট্রানশিপমেন্ট আদায় করে নিতে। আমরা তো এমনিতেই চতুর্মুখী চাপের মধ্যে আছি। বিরোধী দলের উচিত সরকার নয়, রাষ্ট্রকে সাহায্য করা। সরকারেরও উচিত রাষ্ট্রকে সাহায্য করা। যুদ্ধ না করেও আমরা সমুদ্র বিজয় করেছি। তবে এটি পাওয়ার তুলনায় ১১ হাজার কিলোমিটার কম। বড় বড় চার পাঁচটি ব্লক হারিয়েছি। পৃথিবীর সব দেশের সঙ্গে আমাদের এলসি আছে; কিন্তু পাশের দেশ মিয়ানমারের সঙ্গে নেই।

সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের আপনি কেমন দেখতে চান?
তাঁদের যশ-খ্যাতি বড় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। তাঁরা নিভৃতে জনসেবা দিয়ে যাবেন, এটিই আমি চাই। সামাজিক ও নাগরিক দায়বদ্ধতার মধ্যে তাঁদের থাকতে হবে। যখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা আমরা জ্যামে আটকা পড়ে থাকি, তখন প্রত্যেকের মনে হয় এ দেশে এটি দেখার কেউ কি নেই? এ ছাড়া লাগামহীন লোডশেডিং, মশার কামড়, বর্ষায় হাঁটু পর্যন্ত পানি, এসব দূর করতে পারেননি কেউ। আমি চাই, আগামীর মেয়ররা এসব সমস্যা সমাধান করবেন। তাই আমাদের মতো পেশাজীবীরা মাঠে যত দিন পর্যন্ত না নামবেন, তত দিন কোনো পরিবর্তন আসবে না। এখন চলছে নাককাটা, গালকাটা কাউন্সিলরদের দিয়ে। এমনকি কাউন্সিলর হওয়ার পর অনেকে মারাও যাচ্ছেন। বর্তমান সিটি করপোরেশন শুধু লুটপাটের জায়গা নয়, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জায়গা হয়ে গেছে। বর্তমানে ১০০ টাকার কাজে ৬০ টাকা দুর্নীতিতে চলে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। আমাদের পূর্বপুরুষরা রেঙ্গুনের সঙ্গে বাণিজ্য করেছেন। অথচ ৪০ বছর ধরে সেখানে কোনো বাংলাদেশের ব্যবসা নেই।

ডিসিসি নির্বাচন আবার ঝুলে গেছে। এ ক্ষেত্রে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা কতটুকু?
আমি বলব না ইসির কোনো ব্যর্থতা আছে। কারণ ভুলটা গোড়ায়। আমার মনে হয় সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটা ঐকমত্য আছে। বিশেষ করে বড় রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি অলিখিত ঐকমত্য আছে, এক দলের দুর্নীতির বিচার অন্য দল করবে না। করলেও লোক দেখানো করবে। অন্যদিকে রাষ্ট্রের কাঠামোগুলো তারা ধ্বংস করার ব্যাপারে ঐকমত্য আছে। তেমনি ইসিকে কোনো দিন তারা স্বাধীন ও শক্তিশালী করবে না। করলে তাদের ক্ষতি। সুপ্রিম কোর্টের প্রতি সব সময় তারা খৰহস্ত। এমনকি বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারও কিন্তু সুপ্রিম কোর্টকে দলীয়করণ করার চেষ্টা করেছে। দুদককে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত রাখলে পাইকারি হারে দুর্নীতির বিচার শুরু করবে, তাই দুদককেও শক্তিশালী করা হচ্ছে না। পুলিশকে স্বাধীন করলেও যা ইচ্ছা তা করা যাবে না। সিটি করপোরেশন নির্বাচনও এ কাঠামোর বাইরে নয়। যে দলই ক্ষমতায় থাকুক সে দলটি যতক্ষণ পর্যন্ত নিশ্চিত না হবে সে পাস করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত নির্বাচন করতে দেবে না। এটি আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ। সব বিচার-বিশ্লেষণ করে ডিসিসি নির্বাচনটাকে আইনি প্রক্রিয়ায় হত্যা করা হলো। তাই ডিসিসির নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা এখন নেই বললেই চলে। কারণ হাইকোর্টের রিট পিটিশনের কোনো রুল জারি হলে তা নিষ্পত্তি করা বড় ধরনের ঝামেলা। স্বাভাবিক পন্থায় নিষ্পত্তি করতে হলে তিন থেকে চার বছর লাগতে পারে। এটির মূল বিবাদীরই কোনো মাথাব্যথা নেই।

ডিসিসির মেয়র পদে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। দেশে তো অনেক রাজনীতিক রয়েছেন। আপনি কেন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন?
আমি প্রচলিত অর্থে রাজনীতিবিদ নই। এটা আমার কাজও না। এ ধরনের কোনো ইচ্ছাও আমার নেই, ছিলও না। কিন্তু স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে যেভাবে দলীয়করণ করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক দলগুলো এটার ওপর নির্ভর করে যেভাবে রাজনীতি চালাচ্ছে, তাতে জনগণের মৌলিক অধিকার ও নাগরিক সেবা গত ৪০ বছরে পাওয়া যায়নি। কারণ বিগত ৪০ বছরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মহাসচিব কিংবা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। নগরের যিনি পার্টি প্রধান তিনি হন মেয়র। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, নিজস্ব খাতের বড় অংশ আসে স্থানীয় সরকারের রাজস্ব থেকে। সিটি করপোরেশনের সম্পদও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। সবচেয়ে আপত্তিকর বিষয় হচ্ছে, যেসব রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে কমিশনার বা পদ দিতে পারছেন না, তাঁদের সিটি করপোরেশনের দোকান দিয়ে দিচ্ছেন। কিংবা উন্নয়নের কোনো কাজ দিয়ে দিচ্ছেন। এভাবে সিটি করপোরেশনের হাত-পা ভেঙে গেছে। এটিকে যেভাবে রাষ্ট্রের কেন্দ্র থেকে বাদ দিয়ে শুধু নাগরিক সেবাকেন্দ্রমূলক হওয়ার কথা ছিল সেটি হয়নি। সিটি করপোরেশন ছাড়াও থানা বা ইউনিয়ন পরিষদে মন্ত্রী-এমপিরা কাজ করছেন। এখানে নির্বাচিতদের কোনো ভূমিকাই নেই। এমনকি ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) প্রশাসক দেওয়া হয়েছে। এসবকে রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে। আমাদের সংবিধানের জন্মই হয়েছে এ উদ্দেশ্যে। তাই প্রতীক থেকে শুরু করে সব কিছুই অরাজনৈতিক। সিটি করপোরেশনগুলোতে একজন দক্ষ, সৎ, নির্ভীক সেবক লাগবে। আর এ কারণেই আমি মেয়র প্রার্থী হতে চেয়েছিলাম।

সাক্ষাৎকার গ্রহণে : সফেদ সিরাজ

http://www.kalerkantho.com/index.php?view=details&type=gold&data=Download&pub_no=876&cat_id=3&menu_id=151&news_type_id=1&index=3

Tuesday, May 1, 2012

বুয়েট খুলবে কবে

আমার পরিবার আল্লাহকে কৃতজ্ঞতা জানাই, তিনি আমার সন্তানকে বুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। ভর্তি হওয়ার পর থেকে আবার আশায় আছি, কখন ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বেরিয়ে আসবে। অন্যদিকে আতঙ্কেও আছি দেশের কিছু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো দুর্যোগ না এখানেও তৈরি হয়! যদিও বুয়েটে শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাজনৈতিক কামড়াকামড়ি নেই। কিন্তু সেই রাজনৈতিক দুর্বৃত্তপনা বুয়েটেও দেখা গেল শিক্ষকদের মধ্যে। দুই দল শিক্ষক সেখানে আধিপত্য বিস্তারের জন্য কি না জানি না, মুখোমুখি অবস্থানে এখন। সেখানে ভিসির বিরুদ্ধে শিক্ষকদের একটি অংশ আন্দোলন করছে। তিন সপ্তাহ হয়ে গেছে বুয়েটে ক্লাস বন্ধ করে দিয়েছেন আন্দোলনকামী শিক্ষকরা। তাঁদের দাবি যৌক্তিক কিংবা অযৌক্তিক সে বিবেচনায় যেতে চাই না, আমার প্রশ্ন হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের ক্ষতি না করে কি মাননীয় শিক্ষকরা তাঁদের দাবি আদায়ের পথে যেতে পারেন না? বুয়েটের শিক্ষকরা জাতির অতি সম্মানীয় ব্যক্তি। তাঁদের কাছে আমাদের সন্তানদের পাঠাতে পেরে আমরা গর্ব বোধ করি। সেই শিক্ষকরা কি আমাদের সেই গর্বের কারণকে নষ্ট করে দেবেন? আমার প্রস্তাব হচ্ছে, আপনারা ক্লাস চালু রেখে প্রতিবাদ চালিয়ে যান। মানববন্ধন থেকে শুরু করে ভিসি অফিসের সামনে অবস্থান করার মতো কর্মসূচি পালন করতে পারেন। আপনারা সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন। ইচ্ছা করলে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন। রাষ্ট্রপতির কাছেও যেতে পারেন। দয়া করে ধর্মঘটের পথ পরিহার করে বুয়েট খুলে দিন। আপনাদেরই শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পথ উন্মুক্ত করে দিন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক
ঢাকা

Monday, April 30, 2012

রাজনীতিবিদ গুম হচ্ছে, আমি নিরাপদ বোধ করি না

রাশেদ খান মেনন
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে গুম অপহরণের মতো ঘটনা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাজনীতিবিদও গুম হচ্ছে। তাই একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আমি নিজেও নিরাপদ বোধ করি না।’
আজ শুক্রবার বিকেলে শাহজাহানপুর রেলওয়ে সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে শাহজাহানপুর থানার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মেনন আরও বলেন, বিএনপির নেতা ইলিয়াস আলীকে খুঁজে বের করা উচিত, এটা সরকারের কর্তব্য। তবে বিরোধী দল এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা না করে দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ইলিয়াস আলীকে গুম করেছে, এটা মিথ্যা কথা। আমরা গণতান্ত্রিক সরকার। গুম-হত্যায় বিশ্বাস করি না। আমরা চেষ্টা করছি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাঁকে খুজে বের করার চেষ্টা করছে। বের করার পরই প্রকাশ পাবে কোথায় তিনি ছিলেন।’
আইন প্রতিমন্ত্রী বলেন, গুম-অপহরণের ঘটনার দায় সরকার এড়াতে পারে না, এটা যেমন সত্য, তেমনই এর মাধ্যমে সরকারকে হেয় করার অপচেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করতেই এ অপচেষ্টা চলছে।
দক্ষিণ শাহজাহানপুরের রেলওয়ে কলোনি এলাকায় শাহজাহানপুর পুলিশ ফাঁড়িতেই নতুন শাহজাহানপুর থানার কার্যক্রম চলবে। এটি ঢাকা মেট্রোপলিটনের ৪৭তম থানা।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-04-27/news/253513

বাড়িতে থাকলে খুন, বাইরে গেলে গুম

Hossain Mohammad Arshad
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মনে করেন, দেশ যেভাবে চলছে, এভাবে কোনো দেশ চলতে পারে না। তিনি বলেন, ‘মানুষ বাড়িতে থাকলে থাকলে হয় খুন আর বাড়ি থেকে বাইরে গেলে হয় গুম। দেশে সাংসদদের পর্যন্ত নিরাপত্তা নেই। তাঁরা একা চলতে ভয় পাচ্ছেন।’
আজ শনিবার বিকেলে মুন্সিগঞ্জের জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক প্রয়াত বজলুর রহমানের স্মরণসভায় এরশাদ এসব কথা বলেন।
সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষ পরিবর্তন চায়। মানুষ শান্তিতে থাকতে চায়। জিনিসপত্রের দাম কম চায়। তাই শান্তিতে থাকলে হলে নিরাপদে থাকতে হলে তিনি জাতীয় পার্টিকে ভবিষ্যতে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। এই সরকারকে ভবিষ্যতে আর ক্ষমতায় না আনার জন্যও তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
বিএনপিকেও ক্ষমতায় না আনার আহ্বান জানিয়ে এরশাদ বলেন, ‘যারা হরতাল দিয়ে গাড়ি জ্বালিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দিচ্ছে। তাদেরও ক্ষমতায় আনবেন না। আপনারা এই সরকারকেও চান না, যারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে, তাকেও চান না। আপনাদের সামনে বিকল্প পথ একটাই—জাতীয় পার্টি। শান্তিতে থাকতে হলে জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় আনতে হবে।’ তিনি তাঁকে আরেকবার সুযোগ দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আপনাদের মুখে হাসি ফুটাতে চাই।’

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-04-28/news/253743
EID MUBARAK to everybody