Wednesday, May 16, 2012

Journalists to march towards PMO on June 26

Journalists stage a sit-in programme in front of the Bangladesh Secretariat yesterday to press home demands including the arrest of the killers of journalist couple Sagar Sarowar and Meherun Runi. Bangladesh Federal Union of Journalists, Dhaka Union of Journalists, Jatiya Press Club, and Dhaka Reporters' Unity jointly organised the programme in the capital.Photo: STAR
Journalists will march towards the Prime Minister's Office (PMO) on June 26 to press home their demands including the arrest of killers of Sagar Sarwar and Meherun Runi.
Iqbal Sobhan Chowdhury, president of Bangladesh Federal Union of Journalists (BFUJ), made the announcement yesterday while wrapping up a sit-in programme in front of Bangladesh Secretariat.
Dhaka Union of Journalists (DUJ), Jatiya Press Club (JPC), BFUJ and Dhaka Reporters' Unity (DRU) jointly organised the programme.
Other demands include ensuring safety of journalists and providing a safe environment for performing their duties, stopping oppression on newsmen, investigation of earlier killings of journalists, freedom of mass media and a job for the wife of Bibhash Chandra Saha, a journalist who was killed in a road accident in the capital on May 11.
Leaders of different journalists' unions, editors and senior journalists of various print and electronic media organisations will march towards the PMO to submit a memo to Prime Minister Sheikh Hasina to realise their demands.
On February 11, Sagar, news editor of Maasranga TV, and his wife Runi, a senior reporter of ATN Bangla, were found murdered at their rented flat in West Rajabazar of the capital.
As part of the fresh agitation programme, on June 5, the journalists would hand over a memo to the Speaker urging introduction of a law for ensuring safety of journalists and freedom of mass media.
From May 20 to June 15 they would also carry out an awareness programme at the print and electronic media offices to strengthen their movement.
The BFUJ president warned of tougher movements including observing work absention in all media houses across the country if their demands were not met.
He also urged the print and electronic media to publish and air news items everyday on Sagar and Runi, highlighting the failure of the law enforcement agencies into the investigation of the killings.
Earlier, the journalists held their scheduled sit-in programme for around 90 minutes in front of the secretariat yesterday morning.
A section of journalists took position in front of Gate No-2 of the secretariat after defying police resistance at Paltan intersection around 11:30am, as the gate was promptly locked from inside to prevent the journalists from entering.
The remaining journalists were forced to hold their programme on the street running between JPC and the secretariat.
President of Federal Union of Journalists Ruhul Amin Gazi, BFUJ Secretary General Abdul Jalil Bhuiyan, DUJ President Abdus Shahid, DUJ General Secretary Mohammad Baker Hossain, JPC President Kamaluddin Sabuj, and DRU President Shakhawat Hossain Badsha spoke at the rally.
Newspapers published editorials on the unsolved murder case of the journalist couple while several electronic media houses aired special news on the issue yesterday.
Meanwhile on April 18, the High Court ordered to shift the case to the Rapid Action Battalion (Rab) after being frustrated over the failure of the Detective Branch in identifying the killer(s) of Sagar and Runi.
Rab is now investigating the case though it is yet to unearth the mystery behind the murder of the couple.

Police action on teachers, 10 hurt


Law enforcers near the Public Library in the capital use water cannons on primary school teachers demonstrating for a regularisation of their jobs.Photo: STAR
At least 10 non-government primary school teachers were injured yesterday when police charged batons on them during a demonstration at Shahbagh in the capital.
Three of the injured teachers were rushed to Dhaka Medical College Hospital.
The non-government schoolteachers were demonstrating for regularisation of their jobs.
Police also picked up four teachers from the spot.
Witnesses said around 5,000 agitated teachers were on their way to the Prime Minister's Office from the Central Shaheed Minar around noon to place a memorandum containing the one-point demand for regularisation of their jobs.
Police intercepted their procession and asked them to send a delegation to the PMO to submit the memorandum, Sirajul Islam, officer-in-charge of Shahbag Police Station, said.
But the teachers tried to move towards the PM's office. At one stage, police charged batons on them and used water canons to disperse them around 12:30am.
Teachers have been demonstrating under the banner of “National Non-Government (registered) Primary Teachers' Oikya Parishad”, a platform of four organisations of non-government primary teachers.
Later teachers held a rally and staged a sit-in in front of Shahbagh Police Station from 1:00pm for the release of their four detained colleagues. A portion of the teachers again tried to go to the Shahbagh intersection when police dispersed them.
The road from Shahbag intersection to TSC on Dhaka University was blocked from around 12:10pm halting vehicular movement. The blockade was removed around 6:00pm in the evening.
Talking to The Daily Star, Aminul Islam Chowdhury, chairman of the Oikya Parishad, said the prime minister pledged to regularise their jobs in the election manifesto and repeated that pledge before drafting the previous national budget. Yet the government is showing negligence.
He said that they would go for tougher movement if government does not allot money in the upcoming budget for regularising their jobs.
"If primary education system collapses due to the movement, government will have to take the responsibility," he added.
The teachers returned to the Shaheed Minar after those detained were released at around 6:30pm yesterday.
The teachers started their demonstration from Monday when they staged a sit-in at the Shaheed Minar to press home their demand.

Monday, May 14, 2012

এসএসসির ফলাফলের পর তাদের ফেসবুক স্ট্যাটাস

ধরা যাক, হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর সঙ্গে তাঁরাও এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলেন। অনেক শিক্ষার্থীর মতো তাঁরাও নিজের ফলাফল জানিয়েছেন ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে। তাঁদের দেয়াল থেকে স্ট্যাটাসগুলো রস+আলোর পাঠকদের জন্য নিয়ে এসেছেন রুবেল হাবিব

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫ বছর বয়সী কিশোরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বনফুল বাহির হইতেছে। এই সংবাদের চাইতে অধিকতর আনন্দের সংবাদ আমার জীবনে আর দ্বিতীয়টি ঘটে নাই। ঘটিবে বলিয়া আশাও করি না। আজিকে আমার মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হইয়াছে। আমি ৩ দশমিক ৬৩ পাইয়া কৃতকার্য হইয়াছি। তবে এই অর্জন আমাকে ছুঁইতে পারিতেছে না! কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের তুলনায় এই ঘটনা কিছুই নহে।
কাজী নজরুল ইসলাম
লেটোগান, নাকি পড়াশোনা? আমি লেটোগানকেই বেছে নেব! পরীক্ষার প্রতিটি খাতায় অত ভালো ভালো কয়েকটি গান-কবিতা লিখে দিলাম, মাস্টাররা বুঝলই না! তাই এফ গ্রেড পেয়েও চির উন্নত মম শির। আসুন, আমরা নিপীড়িতরা বলি—মহা বিদ্রোহী রণক্লান্ত/আমি সেই দিন হব শান্ত/যবে এফ-অলাদের ক্রন্দনরোল আকাশে-বাতাসে ধ্বনিবে না/এ প্লাসধারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম, রণভূমে রণিবে না...
জীবনানন্দ দাস
বনলতা, পাখির নীড়ের মতো চোখ মেলে দেখো, কচি সবুজ বেতফলের মতো সদ্যই আমার এসএসসির ফলাফল বের হয়েছে! বি গ্রেড পেয়েছি আমি! কেন এমন করলাম? কারণ, স্কুলের মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই কলেজের রূপ খুঁজিতে যাই না আর! এক দণ্ড সময় হলে লাইক দিয়ো। সাথে একটা কমেন্টস, প্লিইইইইইইইইজ...! গালাগালি কোরো না, কে হায় হূদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে!
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
পরীক্ষার কেন্দ্রে বসিয়া বাংলা পরীক্ষার খাতায় দেবদাস-এর প্রথম অনুুচ্ছেদটা লিখিয়াছিলাম। আমার কাছে ওই অনুচ্ছেদের কোনো প্রতিলিপি নাই! খাতা ফেরত পাওয়ার কোনো উপায় আছে কি? বোর্ডের কর্মকর্তা কেহ আমার ফ্রেন্ড লিস্টে থাকিলে ‘আওয়াজ দিয়েন’। আমার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল দয়া করে কেহ জানতে চাইবেন না।
জসীমউদ্দীন
পড়াশোনাকে কবর দিয়ে দিলাম। ‘কবর’ কবিতায় দুটো লাইন যোগ করতে হবে—এইখানে আমার পড়াশোনার কবর, স্কুলগেটের তলে/সারা জীবন ভিজিয়ে রাখব নর্দমারই জলে!
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বিদ্যুতের অপরিসীম সংকটের মধ্যেও আমার পড়াশোনা চালাইয়া গিয়াছি। ফেসবুকে বসিবার সময় ল্যাপটপের যে আলো পাইতাম, সেই আলো দিয়াই দিব্যি বিদ্যা অর্জন করিয়াছি। তাই সবাইকে বলি, ফেসবুকের আলোয় আলোকিত হোন, ভালো ফলাফল অর্জন করুন।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
নাউ আই অ্যাম মাইকেল মধুসূদন দত্ত এসএসসি। মাই জিপিএ ইজ ফাইভ! ওয়েল ডান। থ্যাংকস গড। (ফেসবুকে প্রথম সনেট স্ট্যাটাস)
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
নারী জাগরণের পথিকৃৎ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক অন্তঃপুরের অবরোধবাসিনীদের উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের অন্যতম মাধ্যম। ঘরে বসে আইফোনের মাধ্যমে আমি আমার বন্ধুদের জানাতে পারছি আমার এসএসসির ফলাফল। আমি জিপিএ ফাইভ পেয়েছি। সবাইকে আমার অন্দরমহলে মিষ্টি খাওয়ার নিমন্ত্রণ।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
কপিলা আমার পাশের সিটে বসে পরীক্ষা দিয়েছিল। আমার নিয়ে আসা সব নকল শুরুতেই ওকে দিয়ে দিয়েছিলাম। ও পাস করেছে, আর আমি...! হায়, কপিলা!

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-05-14/news/257471

সড়কে মৃত্যুর মিছিল



  • ধানমন্ডিতে সাংবাদিক বিভাষ সাহা নিহত হওয়ার পর পুলিশ বিক্ষুব্ধ লোকজনকে লাঠিপেটা করে ধানমন্ডিতে সাংবাদিক বিভাষ সাহা নিহত হওয়ার পর পুলিশ বিক্ষুব্ধ লোকজনকে লাঠিপেটা করে
    ছবি: প্রথম আলো
  • সিলেটের বালাগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে গতকাল ভোরে ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুমড়েমুচড়ে যাও সিলেটের বালাগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে গতকাল ভোরে ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুমড়েমুচড়ে যাওয়া গ্রিনলাইন পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি
    ছবি: প্রথম আলো
ভোরে সিলেটের বালাগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদসহ আটজনের মৃত্যু। এর আগে গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় পাঁচজন মারা গেছেন। দুপুরে ঢাকায় বাসচাপায় প্রাণ হারান বরিশালের এক আলোকচিত্র সাংবাদিক। পাঁচ ঘণ্টা পর আবারও বাসচাপা ঢাকায়। এবার প্রাণ হারালেন একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক।
গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনটা শুরু হয়েছিল সড়ক দুর্ঘটনার প্রাণহানি দিয়ে। দিন শেষে মৃত্যুর হিসাবটা হলো ১৫। এভাবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন হারিয়ে যায় বাংলাদেশের সম্ভাবনাগুলো। ঘটনার পর শোক প্রকাশ করে দায়িত্ব শেষ করেন রাজনীতিবিদ ও মন্ত্রীরা। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে কিংবা দায়ী গাড়িচালকের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।
গতকাল দুপুরে ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান বরিশালের মতবাদ পত্রিকার আলোকচিত্রী শহীদুজ্জামান। বিকেলে মারা যান ইংরেজি দৈনিক ইনডিপেন্ডেন্ট-এর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বিভাস চন্দ্র সাহা (৪৭)।
ঘটনাস্থল ধানমন্ডি: সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা। রাস্তায় তখন পড়ে রয়েছে চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া হেলমেটের ভাঙা প্লাস্টিক আর কালচে রক্ত। কিছুক্ষণ আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে উপুড় হয়ে পড়ে থাকা বিভাসের দেহটা। মোটরসাইকেলে ধানমন্ডির বেল টাওয়ারের অফিসে যাচ্ছিলেন বিভাস। পেছন থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে চাপা দিয়ে চলে যান ঘাতক বাসচালক। মোহাম্মদপুর-নারায়ণগঞ্জ পথে চলাচলকারী মৈত্রী পরিবহনের বাসটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছেন। পুলিশ সজল (২৮) নামের চালকের সহকারীকে আটক করেছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এ কে এম শাহেনুর বলেন, বিভাসের পেছনে তিনিও মোটরসাইকেলে ছিলেন। সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় পার হয়ে বাঁয়ে মোড় নিয়ে বিভাসের পেছন পেছন যাচ্ছিলেন। পপুলার হাসপাতালের সামনে মৈত্রী পরিবহনের বাসটি ডান দিক দিয়ে তাঁদের অতিক্রম (ওভারটেক) করে। কয়েক গজ যেতে না-যেতেই ঠিক স্টার কাবাবের সামনে বাসটি হঠাৎ বাঁয়ে চাপিয়ে বিভাসের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। জোর ধাক্কায় ‘বাবা রে’ চিৎকার করে ডান পাশে পড়ে যান বিভাস। মোটরসাইকেলটি দূরে ছিটকে পড়ে, তাঁর মাথাটি পড়ে পেছনের চাকার তলে। আশপাশের লোকজনও সবাই বাসচালককে থামার জন্য চিৎকার করে ওঠেন; কিন্তু চালক চাপা দিয়ে পালিয়ে যান।
ঘটনার আরেক প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ী মোক্তার হোসেন বলেন, ‘মোটরসাইকেলকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার পর চালক বাসটি না থামিয়ে আরও জোরে টানা শুরু করেন। মোটরসাইকেলে থাকা লোকটা পড়ে যাওয়ার সময়ই একটা চিৎকার করলেন। এরপর শুধু ঠাস করে একটা শব্দ শোনা গেল। আমি দৌড়ে গিয়ে দেখি, নিথর দেহ, রক্ত গড়াচ্ছে।’
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন বাসটি ভাঙচুর করেন এবং রাস্তা আটকে প্রতিবাদ করলে পুলিশ তাঁদের লাঠিপেটা করে। এ সময় পুলিশ কয়েকটি ফাঁকা গুলিও ছোড়ে। ধানমন্ডি থানার একজন কর্মকর্তা রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে উচ্চ স্বরে গালি দিয়ে চিৎকার করে বলছিলেন, ‘ডাইবাররে তো ধরতে পারলা না। এখন প্রতিবাদ করস হারামজাদা...। এইহানে আইলেই গুলি কইরা দিমু।’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোক্তারকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে পুলিশ। এ সময় সাংবাদিকেরা এসে তাঁকে ছাড়িয়ে নেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে পুলিশের বাগিবতণ্ডা হয়। স্থানীয় লোকজন বিভাসের দেহটি পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এরপর তাঁর দেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়। ঘটনার খবর পেয়ে স্বজন ও সহকর্মীরা ভিড় করেন হাসপাতালের মর্গে। কেউ কান্নায় ভেঙে পড়েন, কেউ বা ফেটে পড়েন ক্ষোভে।
স্বজনেরা জানান, বিভাসের সন্তান নেই; স্ত্রী তপতী রানী সাহা গুরুতর অসুস্থ। দু-এক দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির কথা। বিভাস ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। নব্বইয়ের দশকের মধ্যভাগে তিনি ইনডিপেন্ডেন্ট পত্রিকায় অপরাধবিষয়ক প্রতিবেদক হিসেবে যোগ দেন। মাঝে কিছুদিন ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ-এ কাজ করেন। আবার ফিরে যান ইনডিপেন্ডেন্টে। বিভাসের গ্রামের বাড়ি জামালপুরে, বাবার নাম ইন্দ্রভূষণ সাহা। ঢাকার উত্তর শাহজাহানপুর (শান্তিবাগ) এলাকায় তাঁর বাসা।
আলোকচিত্র সাংবাদিক শহীদুজ্জামান (৩৮) প্রকাশিতব্য দৈনিক মানবকণ্ঠ পত্রিকায় যোগ দিতে ঢাকায় এসেছিলেন। গতকাল দুপুরে পত্রিকাটির কার্যালয় থেকে ফেরার সময় রাজধানীর শেরাটন মোড়ে বাসচাপায় প্রাণ হারান তিনি। শহীদুজ্জামান বরিশালের মতবাদ নামের একটি দৈনিকে কাজ করতেন।
শহীদুজ্জামানের সঙ্গে রিকশায় ছিলেন তাঁর বন্ধু ঢাকার একটি দৈনিকের সহসম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, গত সপ্তাহে শহীদুজ্জামান মানবকণ্ঠ পত্রিকায় চাকরির জন্য আবেদন জমা দিয়েছিলেন। গতকাল গুলশান ১ নম্বরে পত্রিকার কার্যালয়ে চাকরির খোঁজ নিয়ে তাঁরা রিকশায় শাহবাগে ফিরছিলেন। বেলা একটার দিকে ইউনাইটেড পরিবহনের একটি বাস পেছন থেকে রিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। শহীদুজ্জামান রাস্তার ওপর এবং তিনি ফুটপাতের পাশে ছিটকে পড়েন। চালক বাসটি না থামিয়ে শহীদুজ্জামানের ওপর দিয়ে চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে শহীদুজ্জামানের মাথা চূর্ণ হয়ে যায়। তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। যাত্রীরা বাসটি থামিয়ে চালক নাইম হোসেনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
শহীদুজ্জামানের মামাশ্বশুর মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘শহীদুজ্জামান ৮ মে বরিশাল থেকে ঢাকায় আসে। চিকিৎসার জন্য তার স্ত্রী রুমা আক্তারও এসেছে। ওরা জিগাতলায় আমার বাসায় ওঠে।’ তাঁর একমাত্র সন্তানের নাম তাসিন (১০)।
রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম প্রথম আলোকে বলেন, চালক নাইমসহ বাসটি (ঢাকা মেট্রো জ ১১-১২৮৩) আটক করা হয়েছে। শহীদুজ্জামানের মামাশ্বশুর মাসুদ পারভেজ রমনা থানায় মামলা করেছেন। বাসটি মিরপুর থেকে সদরঘাট যাচ্ছিল।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শহীদুজ্জামানের লাশ স্বজনেরা বরিশালে নিয়ে গেছেন। তিনি বরিশাল শহরের কালীবাড়ি রোডের বাসিন্দা। তাঁর বাবা বদিউজ্জামান অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা।
এর আগে ৮ জানুয়ারি কাকরাইলে বাসের চাপায় প্রাণ হারান মোটরসাইকেল আরোহী সাংবাদিক দীনেশ দাস (৪৪)। তারও আগে গত ২৮ ডিসেম্বর বাসের চাকায় ডান পা হারান সাংবাদিক নিখিল ভদ্র।
সিলেটে প্রাণ হারালেন আ.লীগের নেতা: সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলায় গতকাল ভোরে ট্রাকের সঙ্গে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ভলবো বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইফতেখার হোসেন শামীম (৬২), ঢাকার ব্যবসায়ী, চিকিৎসকসহ আট যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতার স্ত্রী ও তাঁদের মেয়েসহ ২৭ জন। ইফতেখার স্ত্রী নাজনীন হোসেন (৪৫) ও মেয়ে শেহরীন হোসেনকে (১৮) নিয়ে সিলেটে ফিরছিলেন।
ইফতেখার সিলেট অঞ্চলের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও একজন মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে ছুটে গেছেন অর্থমন্ত্রী, দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। সিলেটের মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান এ সময় বলেন, ‘তাঁর মৃত্যুতে আমরা একজন অভিভাবক হারালাম।’
গাইবান্ধা: অভিমান করে গত বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে কীটনাশক পান করেন সদর উপজেলার খামার পীরগাছা গ্রামের গৃহবধূ নমিতা রানী। স্ত্রীকে বাঁচাতে রিকশা-ভ্যানে করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন শ্যামল। সঙ্গে ছিলেন ছোট ভাই চন্দন ও খালা কাঞ্চনবালা। গ্রামের রাস্তা পেরিয়ে ভ্যানটি গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কে ওঠে। ভোর চারটার দিকে জেলা শহরের পুলিশ সুপার কার্যালয়সংলগ্ন ৭ নম্বর খাদ্যগুদামের সামনে পৌঁছামাত্র একটি ট্রাক ভ্যানটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই শ্যামল, নমিতা, চন্দন ও কাঞ্চনবালার মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান ভ্যানচালক আশরাফ।


পাঠকের মন্তব্য

Akram zaman from Sweden
Akram zaman from Sweden
২০১২.০৫.১২ ০২:৩৭
এটাই সরকারের আসল চেহারা, আপন জনের মৃতের পর শোক প্রকাশে রাসথায় নামা কি অপরাধ ? এ সরকার আজ দেশের মানুষকে কি পেয়েছে ? সরকারের প্রথম কাজ হচ্ছে মানুষের স্বাবিক মৃত নিশ্চয়তা দেওয়া , সড়ক ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন করা , বিকল অকেজো যান-বহন লাইসেনস বাতিল করা। ট্রাফিক নিয়ম ও আইন জেয়ারদার করা ।

M. H Akash
M. H Akash
২০১২.০৫.১২ ০২:৩৯
সড়ক দুংঘটনায় প্রতিদিন ১৫-২০ জন প্রান হারাচ্ছে..। সরকার এই নিয়ে কোনো মাথা ব্যাথ্যা নাই.।আমরা শুধু প্রত্রিকায় দেখেই যাবো... এটাই আমাদের ভাগ্য.....................।

Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।
Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।
২০১২.০৫.১২ ০২:৫১
প্রতিটি মৃত্যু মর্মান্তিক । যখন এর হার বেড়ে যায় আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়, আমরা হই শঙ্কিত আর রাস্তা চলতে জীবনকে বাজিতে রাখি ।

Shamiul
Shamiul
২০১২.০৫.১২ ০৫:০০
Is there any government in Bangladesh?? If, what's their duty?? Are they blind ?? Useless !!

shofiqur rahman
shofiqur rahman
২০১২.০৫.১২ ০৫:১৬
প্রতি দিন সড়ক দূঘটনায় মানুষ মারা যাচ্ছেন । যখন রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এই ধরনের কেহ দুঘটনায় পড়ে মারা গেলে হইচই পড়ে যায় পত্রিকায় প্রথম পাতায় নিউজ বিরাট সম্পাদকীয় লিখা হয় । অতচ বিষয়টা সমাধান কিভাবে করা দরকার মনেহয় কেউ জানেন না । না সরকার না বুদ্বিজীবি গণ । অতচ আমরা সবাই একটু দায়িত্বশীল হয়ে এগিয়ে আসলে সড়ক দঘটনা ৯০ভাগ কমানো সম্ভব । আমাদের ড্রাইভাররা গাড়ি চালাতে জানেন কিন্তু গাড়ী চালাতে যে আরও নিয়মনীতি মেনে চলতে হয় তা তারা জানেন না এবং কেউ শেখানোর জন্য আগাইয়া আসেন না । সরকার যদি বয়স্ক শিক্ষাকেন্র চালু করে রাত্রে ৭- ৯টা পযন্ত প্রতি জেলা উপজেলায় কলেজ ও বিশ্ববিদ্যলয়ের ছাত্রদেরকে স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগদিয়ে ড্রাইভারদের সপ্তাহে ২দিন শিক্ষার আওতায় নিয়ে এসে নিয়মনীতিগূলা লেখাপড়ার মাধ্যমে শেখানো যায় । মধ্য মধ্য পুলিশ অফিসাররা ক্লাসে এসে ড্রাইভারদেরকে আইনের দিকগূলো সম্বন্দে সচেতন করেন তাহলে আমি বিশ্বাসকরি ৯০ ভাগ দূঘটনা কমে আসবে । ছাত্ররা ছাড়া অন্যন্য শিক্ষিতরা ও স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষক হিসেবে সপ্তাহে একদিন ২ঘন্টা সময় দিতে পারেন । আসুন আমরা সবাই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে আমাদের ড্রাইভারদেরকে শিক্ষার আওতায় নিয়ে এসে আমাদের ভাইবোন পিতামাতা বন্ধুবান্ধবদের দূঘটনার হাত থেকে রক্ষা করি সংগে সংগে নিজেও বাছি। সপ্তাহে কত ঘন্টা আমরা বাজে আড্ডায় নষ্ট করি ।

rubel raj
rubel raj
২০১২.০৫.১২ ০৫:৩৬
২০১২ তে এসেও আমরা এই লাশের মিছিল থেকে বের হতে পারছি না , কেন ?দোষ কেবল পরিবারের কর্তার আমাদেরও নেই কি ? আসুন সেই দোসটা বের করে দিয়ে সরকারকে বাধ্য করি কিছু একটা করতে ।

Riaj Raju
Riaj Raju
২০১২.০৫.১২ ০৫:৪৮
এই দেশে জন্ম নেয়াটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অপরাদ...।।

২০১২.০৫.১২ ০৬:৪৫
একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রী যখন আনাড়ী চালকদের পক্ষে জোরালো সাফাই গেয়ে বেড়ান তখন তো এরকম মিছিল বাড়তেই থাকবে , কি বলেন ?

Kulsum Al-Nazrul
Kulsum Al-Nazrul
২০১২.০৫.১২ ০৮:০০
সড়কে মৃত্যুর মিছিল দিন দিন বাড়ছে । রোধ করতে না পারলে অনেক সম্ভাবনাময় জীবনকে এভাবে অকালে হারাতে হবে ।

taj u ahmed
taj u ahmed
২০১২.০৫.১২ ০৯:০০
just stop it.

abdulla al masud
abdulla al masud
২০১২.০৫.১২ ০৯:২১
এই সব অদক্ষ অথর্ব ড্রাইভারদের অবশ্যই দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হতে হবে !! ড্রাইভারদের এই হিংস্রতাকে আর প্রশ্রয় দেয়ার কোন যুক্তি থাকতে পারে না ।

Md.Humayun Kabir
Md.Humayun Kabir
২০১২.০৫.১২ ০৯:৪০
it seems that the authority;is inactive .Then,who wil save us?

abdulla al masud
abdulla al masud
২০১২.০৫.১২ ০৯:৫০
ধানমন্ডি থানার একজন কর্মকর্তা রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে উচ্চ স্বরে গালি দিয়ে বলছিলেন - ‘ডাইবাররে তো ধরতে পারলা না, এখন প্রতিবাদ করস হারামজাদা... এইহানে আইলেই গুলি কইরা দিমু’,
পাবলিক ধরলে সরকার আপনাদের বেতন দিয়ে পুষছেন কি ঘোড়ার ঘাস কাটার জন্য !!!!

Mostafizur
Mostafizur
২০১২.০৫.১২ ১০:১৬
বাস মারে, আবার পুলিশও মারে !!!! কি অবস্থা ?????

Saleh Ahmed
Saleh Ahmed
২০১২.০৫.১২ ১২:০৯
সডকের বেহাল দশা, চালকদের উপয়ুক্ত শিখন, য়েখানে সেখানে পারকিং এ সামান্য কাজগগুলি কোন সরকারই তেমন করে নজরে নে্য় না । সরকার এবং বিরোধিদল ৪২ বছর ধরে নিরলজ্জ ভাবে শুধুই খমতার জন্য কামডা কামডি করে চলেচে

Tanvir Islam
Tanvir Islam
২০১২.০৫.১২ ১২:২৭
"আল্লাহর মাল আল্লাহ নিতাছে"
সরকার বসে বসে বাদাম চিবাইতাস,
আর আমরা হালাল হইতাসি,
এর থেকে সৌভাগ্যবান বাঙালি আর কে হতে পারে...

jakir hussain
jakir hussain
২০১২.০৫.১২ ১৪:৪৯
কেবল সড়কে নয়, পুরো দেশ জুড়ে যেনো চলছে মৃত্যুর মিছিল !

২০১২.০৫.১২ ১৪:৫৫
রাস্তায় লাশ, নদিতে লাশ, বেড রুমে লাশ, বাইরে লাশ, খালে লাশ, বিল জলাসয়ে লাশ, সেফটি ট্যাংকে লাশ , সীমান্তে লাশ ! লাশ আর লাশ !

Sumon Kumar nath
Sumon Kumar nath
২০১২.০৫.১২ ১৫:৫৭
আজব দেশ .....বিচিতর আমরা .........,মরন কত সহজ ,আর শসতা !!!

Golam Masud
Golam Masud
২০১২.০৫.১২ ১৬:৩৫
আমি বাস ড্রাইভারদের পক্ষে বলছি না । কিন্তু, মটরবাইক চালকগন যেভাবে ride করেন তাও আইন সিদ্ধ নয় । ফুটপাতের উপর দিয়ে, দোকানগুলো ঘেষে যেভাবে চালায়; তা তাদের জন্য যেমন অন্যদের জন্যও তেমনই বিপদ্জনক বটে !

Jhuman Modak
Jhuman Modak
২০১২.০৫.১২ ১৭:২০
আমাদের ড্রাইভাররা গাড়ি চালাতে জানেন কিন্তু গাড়ী চালাতে যে আরও নিয়মনীতি মেনে চলতে হয় তা তারা জানেন না এবং কেউ শেখানোর জন্য আগাইয়া আসেন না ।

Shakhawat Hossain
Shakhawat Hossain
২০১২.০৫.১২ ১৭:২৬
দেশের মানুষ এত বেশি হয়ে গেছে, কিছুতেই কমানো যাচছেনা। তাই এই সরকার জনসংখা নিয়ন্তরনের এই ডিজিটাল উদ্যোগ নিয়েছে। ভিসন ২০২১ সফল করতে হবেনা ?

Adul Fazal
Adul Fazal
২০১২.০৫.১২ ১৭:৪৪
আর কত লাস চায়ে বাংলাদেশ সরক ও নদি পথ মালিক সমিতি ..। ?..।

২০১২.০৫.১২ ২০:১৯
১ জন মানুসের জিবনের দাম কি tk১০০০০?driver গুলো কে ফাসি দিলে তারা দেখে দেখে গারি চালাবে।

khaled sumon
khaled sumon
২০১২.০৫.১২ ২১:২১
প্রতিটি মৃত্যু মর্মান্তিক ।

Dr. Sazzad bollam
Dr. Sazzad bollam
২০১২.০৫.১২ ২২:০৫
এ সড়ক দূর্ঘটনার ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশ চলবে......................

Dr. Sazzad bollam
Dr. Sazzad bollam
২০১২.০৫.১২ ২২:১৪
ইচ্ছেকৃত কোন ড্রাইভার দূর্ঘটনা ঘটায় না এটা যেমন সত্য আবার অনেক ড্রাইভারের অবহেলার কারণে বা নেশা করে গাড়ি চালানোর কারণে মারাত্তক দূর্ঘটনা ঘটে যায়,অবহেলার কারণে বা নেশা করে গাড়ি চালানোর কারণে দূর্ঘটনা ঘটালে সে চালকের সর্বনিম্ন শাস্তি মৃত্যুদন্ড দাবী করছি।

মার্কিন সামরিক স্কুলের পাঠ্যসূচিতে ইসলামের বিরুদ্ধে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’, এমনকি মুসলমানদের জন্য অতি পবিত্র দুটি স্থান মক্কা ও মদিনায় সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলারও পক্ষপাতী।

 এমনকি মুসলমানদের জন্য অতি পবিত্র দুটি স্থান মক্কা ও মদিনায় সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলারও পক্ষপাতী

যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক স্কুলে ইসলাম সম্পর্কে যা শেখানো হচ্ছে, তা ‘সম্পূর্ণ আপত্তিকর’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির একজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা। সামরিক স্কুলে পড়ানো ইসলামবিষয়ক ওই পাঠ্যসূচিকে (কোর্স) মুসলমানদের শত্রু হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্টিন ডেম্পসি সামরিক স্কুলে ওই কোর্সটি পড়ানোর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পাশাপাশি অন্য সামরিক স্কুলে ইসলাম সম্পর্কে কী শিক্ষা দেওয়া হয়, তা-ও খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন।
ভার্জিনিয়ার নরফোকের জয়েন্ট ফোর্সেস স্টাফ কলেজে ইসলামবিষয়ক ঐচ্ছিক ওই পাঠ্যসূচি এক বছর ধরে পড়ানো হচ্ছে। গত মাসে ওই পাঠে অংশগ্রহণকারী একজন সামরিক কর্মকর্তা প্রথমবারের মতো এ নিয়ে অভিযোগ করেন। এর পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পাঠ্যসূচিটি কীভাবে অনুমোদন পেল এবং কী কারণে এটি পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত হলো, এখন এর তদন্ত চলছে।
জেনারেল ডেম্পসি ওই পাঠ্যসূচি ব্যাখ্যা করে বলেছেন, ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সাংস্কৃতিক সচেতনতার যে বিষয়টি মার্কিন সমাজ মর্যাদা দিয়ে আসছে, এটি সেই মূল্যবোধের পরিপন্থী এবং এটি আপত্তিকর, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বজ্ঞানহীন।’
ইসলামবিষয়ক ওই পাঠ্যসূচি সারা বিশ্বের মুসলমানদের বিরুদ্ধে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধের’ বিষয়টি সমর্থন করে। এমনকি মুসলমানদের জন্য অতি পবিত্র দুটি স্থান মক্কা ও মদিনায় সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলারও পক্ষপাতী। এ ছাড়া পাঠ্যসূচিতে এমনভাবে ইসলামকে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে মার্কিন সেনা কর্মকর্তারা ভাবতে বাধ্য হবেন, ইসলাম সরাসরি তাঁদের শত্রু।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন স্বীকার করেছে, পাঠ্যসূচিতে ‘কিছু অস্বাভাবিক’ বিষয় রয়েছে। বিবিসি।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-05-12/news/256988


পাঠকের মন্তব্য
MAMUN AHMED
MAMUN AHMED
২০১২.০৫.১২ ০৬:০২
অবাক হওয়ার মতো নয়, স্বাভাবিক খবর এটা । পৃথিবী থেকে ''শান্তি''
নামের জিনিষ টা ধীরে ধীরে উধাও হয়ে যাচ্ছে ।

Md. Rabiul Islam
Md. Rabiul Islam
২০১২.০৫.১২ ০৮:৪০
All credits go to Saudi Arabia and its King and the people of the country who support such a country that teaches to destroy two shrine places located in its heart.

Akashchowdhury
Akashchowdhury
২০১২.০৫.১২ ০৯:৪৭
এই একই কাজ যদি কোন মুসলিম দেশ করতো তাহলে তাকে আখ্যা দেয়া হতো চরম সন্ত্রাসী এবং জংগী। অথচ তারা তাদের দেশে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে শিক্ষা দিচ্ছে ইসলাম এবং মুসলিম হচ্ছে তাদের সরাসরি শত্রু। একজন মুসলমান যদি কোন একজনকে হত্যা করে তাহলে সে হয় জংগী, ইসলামী সন্ত্রাসবাদী আর খ্রীষ্টানরা করলে হয় সেটা অপরাধ। সন্ত্রাসবাদের সংগাই তারা পাল্টে দিয়েছে লাদেন নামের এক চরকে দিয়ে।

firoz ahmed
firoz ahmed
২০১২.০৫.১২ ১০:৪৩
And they say "Muslims" are less tolerant...

Md Alauddin
Md Alauddin
২০১২.০৫.১২ ১২:০৫
This is the time to think, what they think about Islam...............

shahan
shahan
২০১২.০৫.১২ ১৩:৫৬
bangladeshi amiricar dalalra akon kutai, jara usama bin laden ke galagali koren.deken amiricate tader patto pustoke islamer birudde juddo gushona kortese.

Muzahidul Islam Mazumder
Muzahidul Islam Mazumder
২০১২.০৫.১২ ১৪:০৪
Muslim beaware.

ইঞ্জিনিয়ার মশিউর রহমান
ইঞ্জিনিয়ার মশিউর রহমান
২০১২.০৫.১২ ২১:০৬
এই দিন দিন নয় আরো দিন আছে। এই দিনেরে নিবে মুসলিম সেই দিনের (ইসলামের স্বর্ণ-যুগ) কাছে।

Sufian Khan Farhan
Sufian Khan Farhan
২০১২.০৫.১২ ২২:৩৮
জানি এ নিয়ে কোন আলোচনা হবে না, হবে না প্রতিবাদ, হবে না লেখালেখি, আসবে না ফেসবুক জুড়ে স্ট্যাটাস, আসবে না কোন ব্লগের মূল পোষ্টেও....আজকের পরে এই সংবাদ হারিয়ে যাবে.।
কোন কিছুতেই আসার দরকার নেই, কথা বলারও দরকার নেই।

Tuesday, May 8, 2012

শক্তিশালী দুই রাষ্ট্রের প্রভাবশালী নেতারা এ দেশ থেকে নিতেই এসেছিলেন কিছু দিতে আসেননি!


হুবহু : ড. তুহিন মালিক ঢাবির সাবেক ছাত্রনেতা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজ্ঞ
শক্তিশালী দুই রাষ্ট্রের প্রভাবশালী নেতারা এ দেশ থেকে নিতেই এসেছিলেন কিছু দিতে আসেননি!

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ও ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় একই সময়ে ঢাকা সফরে এসেছিলেন। এটিকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
শক্তিশালী দুই রাষ্ট্রের প্রভাবশালী নেতারা এ দেশ থেকে নিতেই এসেছিলেন, কিছু দিতে আসেননি। সরকারের শেষ সময়ে তাঁরা যদি না নেয় তাহলে আর কোনো সুযোগ নেই। একজন চাইবেন টিফা চুক্তি কিংবা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা কিংবা সামরিক সহযোগিতা। আরেকজন চাইবেন ট্রানজিট বা ট্রানশিপমেন্ট আদায় করে নিতে। আমরা তো এমনিতেই চতুর্মুখী চাপের মধ্যে আছি। বিরোধী দলের উচিত সরকার নয়, রাষ্ট্রকে সাহায্য করা। সরকারেরও উচিত রাষ্ট্রকে সাহায্য করা। যুদ্ধ না করেও আমরা সমুদ্র বিজয় করেছি। তবে এটি পাওয়ার তুলনায় ১১ হাজার কিলোমিটার কম। বড় বড় চার পাঁচটি ব্লক হারিয়েছি। পৃথিবীর সব দেশের সঙ্গে আমাদের এলসি আছে; কিন্তু পাশের দেশ মিয়ানমারের সঙ্গে নেই।

সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের আপনি কেমন দেখতে চান?
তাঁদের যশ-খ্যাতি বড় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। তাঁরা নিভৃতে জনসেবা দিয়ে যাবেন, এটিই আমি চাই। সামাজিক ও নাগরিক দায়বদ্ধতার মধ্যে তাঁদের থাকতে হবে। যখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা আমরা জ্যামে আটকা পড়ে থাকি, তখন প্রত্যেকের মনে হয় এ দেশে এটি দেখার কেউ কি নেই? এ ছাড়া লাগামহীন লোডশেডিং, মশার কামড়, বর্ষায় হাঁটু পর্যন্ত পানি, এসব দূর করতে পারেননি কেউ। আমি চাই, আগামীর মেয়ররা এসব সমস্যা সমাধান করবেন। তাই আমাদের মতো পেশাজীবীরা মাঠে যত দিন পর্যন্ত না নামবেন, তত দিন কোনো পরিবর্তন আসবে না। এখন চলছে নাককাটা, গালকাটা কাউন্সিলরদের দিয়ে। এমনকি কাউন্সিলর হওয়ার পর অনেকে মারাও যাচ্ছেন। বর্তমান সিটি করপোরেশন শুধু লুটপাটের জায়গা নয়, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জায়গা হয়ে গেছে। বর্তমানে ১০০ টাকার কাজে ৬০ টাকা দুর্নীতিতে চলে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। আমাদের পূর্বপুরুষরা রেঙ্গুনের সঙ্গে বাণিজ্য করেছেন। অথচ ৪০ বছর ধরে সেখানে কোনো বাংলাদেশের ব্যবসা নেই।

ডিসিসি নির্বাচন আবার ঝুলে গেছে। এ ক্ষেত্রে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা কতটুকু?
আমি বলব না ইসির কোনো ব্যর্থতা আছে। কারণ ভুলটা গোড়ায়। আমার মনে হয় সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটা ঐকমত্য আছে। বিশেষ করে বড় রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি অলিখিত ঐকমত্য আছে, এক দলের দুর্নীতির বিচার অন্য দল করবে না। করলেও লোক দেখানো করবে। অন্যদিকে রাষ্ট্রের কাঠামোগুলো তারা ধ্বংস করার ব্যাপারে ঐকমত্য আছে। তেমনি ইসিকে কোনো দিন তারা স্বাধীন ও শক্তিশালী করবে না। করলে তাদের ক্ষতি। সুপ্রিম কোর্টের প্রতি সব সময় তারা খৰহস্ত। এমনকি বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারও কিন্তু সুপ্রিম কোর্টকে দলীয়করণ করার চেষ্টা করেছে। দুদককে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত রাখলে পাইকারি হারে দুর্নীতির বিচার শুরু করবে, তাই দুদককেও শক্তিশালী করা হচ্ছে না। পুলিশকে স্বাধীন করলেও যা ইচ্ছা তা করা যাবে না। সিটি করপোরেশন নির্বাচনও এ কাঠামোর বাইরে নয়। যে দলই ক্ষমতায় থাকুক সে দলটি যতক্ষণ পর্যন্ত নিশ্চিত না হবে সে পাস করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত নির্বাচন করতে দেবে না। এটি আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ। সব বিচার-বিশ্লেষণ করে ডিসিসি নির্বাচনটাকে আইনি প্রক্রিয়ায় হত্যা করা হলো। তাই ডিসিসির নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা এখন নেই বললেই চলে। কারণ হাইকোর্টের রিট পিটিশনের কোনো রুল জারি হলে তা নিষ্পত্তি করা বড় ধরনের ঝামেলা। স্বাভাবিক পন্থায় নিষ্পত্তি করতে হলে তিন থেকে চার বছর লাগতে পারে। এটির মূল বিবাদীরই কোনো মাথাব্যথা নেই।

ডিসিসির মেয়র পদে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। দেশে তো অনেক রাজনীতিক রয়েছেন। আপনি কেন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন?
আমি প্রচলিত অর্থে রাজনীতিবিদ নই। এটা আমার কাজও না। এ ধরনের কোনো ইচ্ছাও আমার নেই, ছিলও না। কিন্তু স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে যেভাবে দলীয়করণ করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক দলগুলো এটার ওপর নির্ভর করে যেভাবে রাজনীতি চালাচ্ছে, তাতে জনগণের মৌলিক অধিকার ও নাগরিক সেবা গত ৪০ বছরে পাওয়া যায়নি। কারণ বিগত ৪০ বছরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মহাসচিব কিংবা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। নগরের যিনি পার্টি প্রধান তিনি হন মেয়র। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, নিজস্ব খাতের বড় অংশ আসে স্থানীয় সরকারের রাজস্ব থেকে। সিটি করপোরেশনের সম্পদও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। সবচেয়ে আপত্তিকর বিষয় হচ্ছে, যেসব রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে কমিশনার বা পদ দিতে পারছেন না, তাঁদের সিটি করপোরেশনের দোকান দিয়ে দিচ্ছেন। কিংবা উন্নয়নের কোনো কাজ দিয়ে দিচ্ছেন। এভাবে সিটি করপোরেশনের হাত-পা ভেঙে গেছে। এটিকে যেভাবে রাষ্ট্রের কেন্দ্র থেকে বাদ দিয়ে শুধু নাগরিক সেবাকেন্দ্রমূলক হওয়ার কথা ছিল সেটি হয়নি। সিটি করপোরেশন ছাড়াও থানা বা ইউনিয়ন পরিষদে মন্ত্রী-এমপিরা কাজ করছেন। এখানে নির্বাচিতদের কোনো ভূমিকাই নেই। এমনকি ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) প্রশাসক দেওয়া হয়েছে। এসবকে রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে। আমাদের সংবিধানের জন্মই হয়েছে এ উদ্দেশ্যে। তাই প্রতীক থেকে শুরু করে সব কিছুই অরাজনৈতিক। সিটি করপোরেশনগুলোতে একজন দক্ষ, সৎ, নির্ভীক সেবক লাগবে। আর এ কারণেই আমি মেয়র প্রার্থী হতে চেয়েছিলাম।

সাক্ষাৎকার গ্রহণে : সফেদ সিরাজ

http://www.kalerkantho.com/index.php?view=details&type=gold&data=Download&pub_no=876&cat_id=3&menu_id=151&news_type_id=1&index=3

আমরা নাকি দুই নম্বর মেয়ে!

ওপরের কথাটি এখন চট্টগ্রামের দক্ষিণ হালিশহরে অবস্থিত দেশের প্রথম ইপিজেডের অভ্যন্তরে অবস্থিত বিদেশি মালিকানাধীন ও শ্রীলঙ্কান ম্যানেজমেন্ট কর্তৃক পরিচালিত তৈরি পোশাকশিল্প কারখানার মহিলা শ্রমিকদের প্রতিদিন শুনতে হচ্ছে কর্মস্থলে কাজ করতে গিয়ে। সিইপিজেডে অভ্যন্তরে বেশির ভাগ পোশাকশিল্প কারখানায়ই নিত্যদিন মহিলা শ্রমিকদের নানা রকম অকথ্য গালাগাল, অনেক ক্ষেত্রে শারীরিক নির্যাতনও সহ্য করতে হয়। এসব কারখানার মধ্যে আইএসও সনদপ্রাপ্ত এবং শ্রীলঙ্কানদের ব্যবস্থাপনাধীন প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।
বাংলাদেশি সুপারভাইজার, ইনচার্জ, ওয়ার্কস্ট্যাডি, সহকারী কোয়ালিটি ম্যানেজার পদের লোকদের কাছ থেকে শ্রীলঙ্কানরা বাংলা ভাষার গালি শিখে নিয়েছে। উৎপাদন লাইনে কাজ করতে গিয়ে কোনো ভুল হলে কিংবা সমস্যা পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে ওই মেয়েকে শুনতে হয় 'দুই নম্বর মেয়ে' ইত্যাদি চরম অশালীন ভাষা ও শব্দ। কিছু বাংলাদেশি নিজেদের বেতন-ভাতা ও সুবিধা বাড়িয়ে নেওয়ার কৌশল হিসেবে শ্রীলঙ্কান কর্তাব্যক্তিদের বাংলায় গালাগাল করার জন্য কিছু ভাষা শব্দ শিখিয়ে দিয়েছে।
শ্রীলঙ্কান কর্তাব্যক্তিদের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড এত বেড়ে গেছে যে বাংলাদেশি শ্রমিকদের ওরা জাত ধরে গালাগাল করে রুমে ডেকে নিয়ে। প্রচলিত আছে, এসব শ্রীলঙ্কান লোক শুধু ড্রাইভার ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে চাকরি করতে এসে অবৈধভাবে এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সিইপিজেডের কারখানাগুলোতে ম্যানেজার, ফ্যাক্টরি ম্যানেজার, অ্যাডভাইজার, ডিরেক্টর ইত্যাদি উচ্চ ও লাখ লাখ টাকার বেতনের পদে চাকরি করে যাচ্ছে।
লীনা ফেরদৌসী
উত্তর হালিশহর, চট্টগ্রাম।

Battleship Alien Face

Battleship Alien Face

Tuesday, May 1, 2012

গুম থেকে বাঁচার উপায়

মানুষ গুম হয়ে যাওয়াটা যেন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হতে যাচ্ছে। যেকোনো সময় আপনিও হয়ে যেতে পারেন গুম, বিপদে পড়বে আপনার পরিবার। তাই দেখে নিন গুমের হাত থেকে বাঁচার উপায়। ভেবেছেন আশিকুর রহমান

একা চলবেন না
কবিগুরু গেয়েছিলেন, যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চল রে। ভুলে যান কবিগুরুর দেওয়া একলা চলার পরামর্শ। কেউ যদি ডাক না শুনতে চায়, তবুও হাতে-পায়ে ধরে রাজি করান, যাকে পারেন সঙ্গে নিয়ে নিন। মনে রাখবেন—একা বের হলে আপনার নিরাপত্তার গ্যারান্টি কেউ দেবে না। বরং সঙ্গে লোকজন থাকলে এ যাত্রায় গুম নাও হতে পারেন।

ধারণ করুন ছদ্মবেশ
কম খরচের চমৎকার আইডিয়া ছদ্মবেশ ধারণ। ভালো কোনো মেকআপম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন বা নিজে শিখতে পারেন মেকআপের এই আর্টটি। প্রতিদিন বাইরে বের হওয়ার সময় বৈচিত্র্যময় সাজ সাজতে পারবেন। একদিকে যেমন বাইরে বের হলে আপনি অনুভব করবেন রোমাঞ্চ, তেমনি গুমকারীর বাবারও ক্ষমতা থাকবে না আপনাকে চেনার। আপনি বেঁচে যাবেন গুম হয়ে যাওয়ার হাত থেকে। তবে সাবধান, ছদ্মবেশ ধারণ করে কোনো প্রকার অনৈতিক কাজে নিজেকে জড়াবেন না।

সাহায্য নিন প্রযুক্তির
আপনি ডিজিটাল বাংলাদেশের নাগরিক। প্রযুক্তি বাঁচাবে আপনাকে গুম হওয়ার হাত থেকে। গাড়ি চুরি ঠেকাতে যেমন গাড়িতে লাগানো হয় জিপিএস ট্র্যাকার সিস্টেম, তেমনি নিজের শরীরের সঙ্গে লাগিয়ে নিন এই জিপিএস ট্র্যাকার সিস্টেম। যাতে আপনি গুম হয়ে যাওয়ার পর দ্রুত আপনার অবস্থা শনাক্ত করা যায়। এ ব্যবস্থার ফলে জীবিত হোক বা মৃত আপনার পরিবার আপনাকে ফিরে পাবে।

করে ফেলুন ইনস্যুরেন্স
যেকোনো ইনস্যুরেন্স কোম্পানির কাছে আপনার গুম হওয়া নিয়ে ইনস্যুরেন্স করে ফেলুন। ইনস্যুরেন্সের টাকার পরিমাণ হতে হবে চোখ-ধাঁধানোর মতো। শর্ত থাকবে আপনি গুম হয়ে গেলে ওই পরিমাণ টাকা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি দিতে বাধ্য থাকবে। আশা করা যায়, এর পর থেকে টাকা যাতে না দিতে হয় সে জন্য আপনার নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়ে ফেলবে ওই ইনস্যুরেন্স কোম্পানি।

বৃদ্ধি করুন নিজের ওজন
সব সময় নিজের শরীরের ওজন কমানোর কথা শুনে এসেছেন, কিন্তু এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। যত পারুন নিজের শরীরের ওজন বৃদ্ধি করুন। আপনার টার্গেট থাকবে নিজেকে সুমো কুস্তিগীরের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। একবার যদি লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেন, ব্যস আর কোনো চিন্তা নেই। আপনার বিশাল শরীরকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চিন্তা করে গুমকারীরা গুম করতে নিরুৎসাহী হয়ে উঠবে। আপনি যাবেন বেঁচে।

গুম হয়ে যান নিজেই
ওপরের একটা পন্থাও যদি আপনার পছন্দ না হয়, তাহলে নিজের নিরাপত্তায় একটা উপায় বাকি আছে। তা হলো নিজেই নিজেকে গুম করে ফেলুন। চলে যান আন্ডারগ্রাউন্ডে। সবার কাছে পৌঁছে দিন আপনার গুম হয়ে যাওয়ার খবর। এ ব্যবস্থার ফলে যদিও কিছুদিন আপনাকে নিয়ে টানাহেঁচড়া হবে, কিন্তু আপনি থেকে যাবেন নিরাপদ। গুমকারীরা চিন্তায় পড়ে আপনার নাম কেটে দেবে তাদের লিস্ট থেকে।

যা যা গুম হওয়া দরকার

মানুষ নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে। নিখোঁজ হওয়াকে গুমও বলছেন অনেকে। মানুষ নিখোঁজ না হয়ে আসলে কী কী জিনিস নিখোঁজ হওয়া দরকার কিন্তু কেন হচ্ছে না, তা নিয়ে গুম হয়ে গবেষণা করেছেন নূর সিদ্দিকী

লোডশেডিং
এই জিনিস দেশ ও জাতির স্বার্থে গণতন্ত্র রক্ষায় নিখোঁজ বা গুম হওয়া দরকার। লোডশেডিং গুম হলেই মানুষ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাবে। কিন্তু লোডশেডিং গুম হচ্ছে না, কারণ বিদ্যুৎ উপদেষ্টা, মন্ত্রীরা বিদ্যুৎ উৎপাদনে দারুণ তৎপর আর বিরোধী দল চায় না উৎপাদন হোক। মানে রাজনীতির স্বার্থেই লোডশেডিং প্রয়োজন বলেই তা গুম হচ্ছে না।

দুর্নীতি
দুর্নীতির বিচরণ এখন সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে, সমাজকে সুস্থ করে তুলতে একে গুম করা সামাজিক দায়িত্বে পরিণত হয়েছে। কিন্তু দুর্নীতি গুম হবে না। কারণ, দুর্নীতি ঘোষ গুম হলে সামান্য কেরানি বা পিয়ন বা আমলাদের বাড়ি-গাড়ির মালিক হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।

যানজট
যানজট গুম হোক জনগণ চায় কারণ, জনজীবনে গতিশীলতা আনতে এর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু যানজট গুম হবে না তার একটাই কারণ। আর তা হলো, জটে আটকে থাকার সময় মানুষের মস্তিষ্ক অলস হয়ে শয়তানের মতো কুবুদ্ধি আঁটে, দেশে কুবুদ্ধির যাতে সংকট না হয়, সে জন্যই যানজট গুম হচ্ছে না, হবেও না।

সূচক
পুঁজিবাজারের এই বস্তুটি গুম হওয়া দরকার এ জন্য যে সূচকবাবু গুম হলে আর এর উত্থান-পতন হবে না, বাজার হবে স্থিতিশীল, বন্ধ হবে জ্বালাও-পোড়াও। কিন্তু সূচকবাবু গুম হবে না, কারণ বাজারে চলছে এবং চলবে টাকার খেলা।

স্বজনপ্রীতি
স্বজন এবং প্রীতি মিলিয়েই তৈরি হয়েছে শব্দটির। কিন্তু এই স্বজনপ্রীতি যে ভীতির কারণ হয়ে পড়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না বলেই সবাই এর বিলোপ বা গুম চায়। কিন্তু এ ঘটনা বাঙালি দেখে মরতে পারবে না, কারণ স্বজনপ্রীতি গুম হলে ক্ষমতাবানদের পরিবারে পরিবারে বেকার মানুষের সংখ্যা বাড়বে। বেকারত্বের হার কমাতেই স্বজনপ্রীতি বহাল তবিয়তেই থাকবে।

সন্ত্রাস
সমাজে শান্তি আনতে সন্ত্রাসের গুম হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু এই ঘটনা কখনোই ঘটবে না, কারণ সন্ত্রাস গুম হলে রাজনীতিকেরা অশান্তিতে পড়বে এবং পুলিশ ও র‌্যাবও বেকার হয়ে পড়বে। বেকারত্ব জাতির জন্য অভিশাপ, তাই তা ঘটবে না।

বিশৃঙ্খলা
বিশৃঙ্খলা বাঙালির আত্মপরিচয়ের অংশ। এই সত্য মেনে নিয়েই এর বিলুপ্তি প্রত্যাশা করে সবাই। তবে বিশৃঙ্খলা বিলুপ্ত হোক—এমনটা স্বপ্নেও কেউ ভাবতে পারে না। কারণ, শৃঙ্খলা এমন একটা ঘটনা, যা এক দিনে শেখা যায় না, সামান্য শৃঙ্খলা শিখতেই যদি উন্নয়নশীল বাঙালি জাতি পিছিয়ে যায়! এই ভয়েই বিশৃঙ্খলাকে গুম করে দেওয়া সম্ভব নয়।

ক্ষমতা
ক্ষমতা সবাই চায়। কিন্তু ক্ষমতার দাপটে মানুষ অতিষ্ঠ বলেই ক্ষমতার বিলোপ এখন সময়ের দাবি। কিন্তু ক্ষমতা গুম হোক এমনটা তো কেউ মনে মনে ভাবারও সাহস রাখে না। আর যারা মুখ ফসকে বলে ফেলে, তারা তো নিজেরাই গুম হবে, এটাই স্বাভাবিক। তাই ক্ষমতা খান কখনো গুম হবে না।

বুয়েট খুলবে কবে

আমার পরিবার আল্লাহকে কৃতজ্ঞতা জানাই, তিনি আমার সন্তানকে বুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। ভর্তি হওয়ার পর থেকে আবার আশায় আছি, কখন ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বেরিয়ে আসবে। অন্যদিকে আতঙ্কেও আছি দেশের কিছু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো দুর্যোগ না এখানেও তৈরি হয়! যদিও বুয়েটে শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাজনৈতিক কামড়াকামড়ি নেই। কিন্তু সেই রাজনৈতিক দুর্বৃত্তপনা বুয়েটেও দেখা গেল শিক্ষকদের মধ্যে। দুই দল শিক্ষক সেখানে আধিপত্য বিস্তারের জন্য কি না জানি না, মুখোমুখি অবস্থানে এখন। সেখানে ভিসির বিরুদ্ধে শিক্ষকদের একটি অংশ আন্দোলন করছে। তিন সপ্তাহ হয়ে গেছে বুয়েটে ক্লাস বন্ধ করে দিয়েছেন আন্দোলনকামী শিক্ষকরা। তাঁদের দাবি যৌক্তিক কিংবা অযৌক্তিক সে বিবেচনায় যেতে চাই না, আমার প্রশ্ন হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের ক্ষতি না করে কি মাননীয় শিক্ষকরা তাঁদের দাবি আদায়ের পথে যেতে পারেন না? বুয়েটের শিক্ষকরা জাতির অতি সম্মানীয় ব্যক্তি। তাঁদের কাছে আমাদের সন্তানদের পাঠাতে পেরে আমরা গর্ব বোধ করি। সেই শিক্ষকরা কি আমাদের সেই গর্বের কারণকে নষ্ট করে দেবেন? আমার প্রস্তাব হচ্ছে, আপনারা ক্লাস চালু রেখে প্রতিবাদ চালিয়ে যান। মানববন্ধন থেকে শুরু করে ভিসি অফিসের সামনে অবস্থান করার মতো কর্মসূচি পালন করতে পারেন। আপনারা সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন। ইচ্ছা করলে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন। রাষ্ট্রপতির কাছেও যেতে পারেন। দয়া করে ধর্মঘটের পথ পরিহার করে বুয়েট খুলে দিন। আপনাদেরই শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পথ উন্মুক্ত করে দিন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক
ঢাকা

মে দিবসের আহ্বান, প্রতিবন্ধী কোটা, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি, সরকারি ব্যাংক

মে দিবসের আহ্বান
মে দিবস কী—এ বিষয়ে শ্রমিকদের জিজ্ঞাসা করলে অনেকেই এ নিয়ে কিছু বলেন না। কারণ, তাঁদের কাছে সবই সমান। তাঁরা বলেন, ‘এ দিবসে কি আমাদের কোনো লাভ আছে, না আমাদের নিয়ে কারও ভাবার সময় আছে।’ শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগে তাঁর পারিশ্রমিক বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ধর্মে উল্লেখ থাকলেও তাঁরা কি তা পান? দেশের বিভিন্ন পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দেওয়া হয় মাসের ১০ বা ১১ তারিখে। কিন্তু তাঁদের বাড়িভাড়া মাসের ১ তারিখেই দিতে হয়। এ ছাড়া ছেলেমেয়েদের শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্য ইত্যাদি ব্যাপার তো আছেই। এসব প্রয়োজন মেটাতে গিয়ে অনেক শ্রমিক অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়েন, যা থেকে উত্তরণ পাওয়া খুবই কঠিন। ভুক্তভোগী শ্রমিকদের মতে, তঁদের বেতন-ভাতা যদি মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়, তাহলে এ সমস্যা থেকে অনেকটা উত্তরণ সম্ভব। তাই আজকের এই দিনে শুধু আলোচনা নয়, সরকার ও সব পোশাক কারখানার মালিকদের প্রতি অনুরোধ, তাঁরা যেন মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন-ভতা প্রদান করেন।
ফারজানা আক্তার
সরকারি তিতুমীর কলেজ।

প্রতিবন্ধী কোটা
আমার মতো অনেক প্রতিবন্ধী আছে, তারা যেকোনো চাকরিতে আবেদন করতে পারে না। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী আমাদের আশার বাণী শুনিয়েছেন, এখন থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সরকারি চাকরিতে প্রতিবন্ধীদের জন্য ১% কোটা সংরক্ষিত থাকবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সম্প্রতি বিসিএসসহ পিএসসির অন্যান্য চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে মুক্তিযোদ্ধা, উপজাতি কোটার কথা উল্লেখ থাকলেও ফরমে প্রতিবন্ধী কোটা সম্বন্ধে কোনো কথা উল্লেখ ছিল না। এতে আমার প্রতিবন্ধী সনদ থাকা সত্ত্বেও কাগজপত্রের সঙ্গে জমা দিতে পারেনি। তাহলে আমাকে কীভাবে প্রতিবন্ধী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবে; বরং আমাকে সাধারণ প্রার্থীদের তালিকায় রাখা হলো। এরই মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকে কর্মকর্তা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিবন্ধী কোটার কথা উল্লেখ না থাকায় সনদটি জমা দিতে পারেনি, যেখানে সরকার বলার পরও তা কার্যকর হলো না। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও সরকারি চাকরিতে ১% কোটা সংরক্ষণ রাখার কথা বলার পরও তা কর্তৃপক্ষ পালন করছে না। এ ছাড়া প্রতিবন্ধীদের জন্য চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২ বছর নির্ধারণ করা হোক।
অতএব, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন, তিনি যেন দ্রুত সরকারি চাকরিতে ১% কোটা রাখার বিধান বাস্তবায়ন করে প্রতিবন্ধীদের মেধাকে আরও গতিশীল করেন। ফলে দেশের উন্নয়নে প্রতিবন্ধীরাও যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারবে।
সাইম, ময়মনসিংহ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি
সিলেকশন গ্রেড যেকোনো সরকারি কর্মকর্তার জন্য অত্যন্ত আবশ্যকীয় এবং এটি নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে অবশ্য প্রাপ্য। আমরা ৮৫১ জন চিকিৎসক, অর্থাৎ বিসিএসের (স্বাস্থ্য) বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা, নভেম্বর ২০১০-এ সিলেকশন গ্রেডের জন্য মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন করেছিলাম। ওই সময়ে তা মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা দিয়েছিলাম। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে নথিটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
কিন্তু এক বছর ধরে ৮৫১ জন চিকিৎসা কর্মকর্তার এ গুরুত্বপূর্ণ ফাইলটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পড়ে আছে। লাল ফিতার এ অনাকাঙ্ক্ষিত বাঁধনের ফলে আমরা জুনিয়র স্কেলে বেতন পাচ্ছি এবং ভবিষ্যতে সিনিয়র স্কেলে আবেদন করার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছি। অন্যান্য ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তাদের এ ধরনের ন্যায্য সিলেকশন গ্রেডের ফাইল এক থেকে দেড় মাসের বেশি আটকে থাকে না।
মস্বাস্থ্যমন্ত্রী বরাবরে আবেদন, আমাদের সিলেকশন গ্রেডের ফাইলটির দ্রুত নিষ্পত্তি করুন।
ডা. মোস্তাফিজুর রহমান
নর্থ সার্কুলার রোড ঢাকা।

সরকারি ব্যাংক
বাংলাদেশে একসময় হাতেগোনা কয়েকটি ব্যাংক থাকলেও বর্তমানে অসংখ্য ব্যাংকের অস্তিত্ব লক্ষ করা যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে আর্থিক লেনদেনের ধরন ও পরিমাণ বহু গুণ বেড়েছে। এর ফলে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বেসরকারি ব্যাংকের সৃষ্টি হচ্ছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বেশি থাকায় গ্রাহকেরা এসব ব্যাংকে সরকারি ব্যাংকের চেয়েও উন্নত সেবা পেয়ে থাকেন।
অন্যদিকে, সরকারি ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে আমরা শুধুই হতাশার চিত্র দেখতে পাই। সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজেকর্মে অবহেলা, গ্রাহকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার প্রভৃতি যেন নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
সরকারি ব্যাংকের অনিয়ম শুধু আইন করে বন্ধ করা যাবে না। এ জন্য চাই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচরণ ও মানসিকতার পরিবর্তন।
উজ্জ্বল দাস পোদ্দার
ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা।
EID MUBARAK to everybody